Ambati Rayudu

‘বাউন্ডারির দড়ি পিছনো ছিল’, সূর্যর বিশ্বকাপ জেতানো ক্যাচ নিয়ে ফের বিতর্ক তৈরি ভারতের প্রাক্তনীর

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ধারাভাষ্যের দায়িত্বে ছিলেন ওই প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৫, ১৩:৪২

options
link
‘বাউন্ডারির দড়ি পিছনো ছিল’, সূর্যর বিশ্বকাপ জেতানো ক্যাচ নিয়ে ফের বিতর্ক তৈরি ভারতের প্রাক্তনীর
সূর্যকুমারের সেই ক্যাচের মুহূর্ত। ফাইল চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৪-এ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডেভিড মিলারের হাঁকানো বলটা বাউন্ডারির ওপারে চলে গেলে কী হত, সেটা ভাবতেই শিউরে ওঠেন দেশের ক্রিকেটভক্তরা। হয়তো অধরা থেকে যেত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ফাইনালে সেই সময় ত্রাতা হয়ে ওঠেন সূর্যকুমার যাদব। যদিও সমালোচকদের একাংশের বক্তব্য ছিল, বাউন্ডারির দড়ি নাকি ঠিক জায়গায় ছিল না। সত্যিই কি তাই? ওই ম্যাচে ধারাভাষ্যের দায়িত্বে থাকা অম্বাতি রায়ডুও কিন্তু সেরকমই মনে করেন।

Advertisement

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে রায়ডু বলেন, “সেই সময় বিশ্বের সেরা ধারাভাষ্যকাররা ওখানে উপস্থিত ছিলেন। বিরতির সময়, সম্প্রচারের সুবিধার জন্য ওখানে একটা চেয়ার আর পর্দা রাখা হয়। যে কারণে দড়িটা একটু পিছিয়ে রাখা হয়, যাতে ধারাভাষ্যকাররা দেখতে পান কী হচ্ছে। পরে চেয়ার ও পর্দা সরিয়ে রাখা হয়, কিন্তু দড়িটা আর আগের জায়গায় ফেরানো হয়নি। ফলে বাউন্ডারি কিছুটা বড় ছিল। আমরা উপর থেকে সেটা দেখতে পাচ্ছিলাম। সম্ভবত সেটা ঈশ্বরের ইচ্ছা ছিল।”

Advertisement

তাহলে কি ওটা ছয় ছিল? রায়ডু বলছেন, “আমি জানি না, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ওটা ছয় হত কি না, যদি দড়ি ঠিক জায়গায় থাকত, তাহলে হয়তো সূর্যকুমার ভিতর দিয়ে দৌড়ে যেত।” তবে রায়ডুর মতে ওটা পরিষ্কার ক্যাচ ছিল। তাঁর যুক্তি, “দিনের শেষে ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে ছিলেন।”

Advertisement

সূর্যকুমার যাদব অবশ্য আগেই বলেছিলেন, ওই ক্যাচ নিয়ে তাঁর মনে কোনও সংশয় ছিল না। তাঁর বক্তব্য ছিল, “যখন বলটা ভিতর দিকে ঠেলে দিই, তখন আমি জানি, আমার পা লাইনের দড়ি ছোঁয়নি। সেটা সম্বন্ধে আমি সম্পূর্ণ সচেতন ছিলাম। ওই ক্যাচটা নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই।” বিশ্বজয়ের একবছরের বেশি সময় পরে রায়ডু আবার সেই ক্যাচ বিতর্ক ফিরিয়ে আনলেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.