BCB

শান্ত-লিটনদের বোকা বানাল বিসিবি! অপসারিত কর্তাকে ফেরানো হল পদে

তামিম ইকবালকে 'ভারতের দালাল' বলায় তাঁর পদত্যাগ চেয়েছিলেন সে দেশের ক্রিকেটাররা। প্রতিবাদে এক দিন বন্ধ থাকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা। চাপের মুখে তাঁকে বহিষ্কার করে বিসিবি। সেই নাজমুলকে আবারও ফিরিয়ে আনা হল। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৯:৫২

options
link
শান্ত-লিটনদের বোকা বানাল বিসিবি! অপসারিত কর্তাকে ফেরানো হল পদে
ছবি সংগৃহীত।

টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পরই শুরু নাটক। বহিষ্কার করার কয়েক দিনের মধ্যেই আবার ফিরিয়ে আনা হল বাংলাদেশ বোর্ড ডিরেক্টর নাজমুল ইসলামকে। তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ বলায় তাঁর পদত্যাগ চেয়েছিলেন সে দেশের ক্রিকেটাররা। প্রতিবাদে এক দিন বন্ধ থাকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা। চাপের মুখে তাঁকে বহিষ্কার করে বিসিবি। সেই নাজমুলকে আবারও ফিরিয়ে আনা হল। 

Advertisement

বিসিবি’র পরিচালনা পর্ষদের সভায় ঠিক হয়, অর্থ বিভাগের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয় নাজমুলকে। বিসিবি’র কাছে শোকজ নোটিশের জবাব সন্তোষজনক মনে হওয়ায় পদ ফিরে পেলেন তিনি। তাঁকে স্বপদে ফিরিয়ে নেওয়ার খবর জানান বিসিবি’র মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন। এই মুহূর্তে বিপিএল শেষ। বাংলাদেশও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসি’র কাছে ‘ঘাড়ধাক্কা’ খেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কার্যত ভাঁওতা দিল বাংলাদেশ বোর্ড। এমন সিদ্ধান্ত পর নয়া বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রশ্ন উঠছে, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাসদের ‘আইওয়াশ’ করার জন্যই কি তাঁকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল? ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে যখন ঘোরতর অনিশ্চয়তা, সেই সময় সুষ্ঠুভাবে বিপিএল শেষ করার জন্য ওই কর্তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিসিবি। কাজ ফুরোতেই ক্রিকেটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বেমালুম ভুলে গিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুলেরা। সেই কারণেই বিসিবি’র এমন সিদ্ধান্তে হতবাক হয়েছেন অনেকেই।

Advertisement

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তামিমকে নিয়ে মহাবিতর্কিত মন্তব্য করে সে দেশের ক্রিকেট সমাজের চক্ষুশূল হয়েছিলেন নাজমুল। যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন বর্তমান টিমের ক্রিকেটাররাও। এবং সেখানেই ক্ষান্ত দেননি বাংলাদেশ বোর্ড ডিরেক্টর। বেফাঁস বলে দেন, একবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে আহামরি কোনও ক্ষতি হবে না। আর কোটি-কোটি টাকা খরচ করে ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপ খেলতে পাঠানোর পরেও যদি তাঁরা কিছু না করতে পারেন, তখন কী হবে? ক্রিকেটারদের থেকে কি টাকা ফেরত চাওয়া হবে? এরপরই ধৈর্যের সব বাঁধ ভেঙে যায় ক্রিকেটারদের। বাংলাদেশের ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার সংস্থার প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মিঠুন স্পষ্ট বলে দেন, নাজমুল ইসলাম যদি পদত্যাগ না করেন, তা হলে ক্রিকেটাররা কোনও ধরনের ক্রিকেটই খেলতে নামবেন না! না টেস্ট, না ওয়ানডে, না টি-টোয়েন্টি, না বিপিএল-কিছুই না। যদিও সেসব যে আসলে বিসিবি’র বোকা বানানোর কৌশল ছিল, তা আর বুঝতে অসুবিধা রইল না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.