Ranji Trophy

শাকিরের ৯৫, সুদীপের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও রনজিতে অস্বস্তিতে বাংলা, কিন্তু কেন?

সাতে নেমে বাংলার রান সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যান শাহবাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২৫, ১৮:১৬

options
link
শাকিরের ৯৫, সুদীপের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও রনজিতে অস্বস্তিতে বাংলা, কিন্তু কেন?
ছবি সিএবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খারাপ আলোর জন্য নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুক্ষণ আগেই খেলা শেষ হয়ে গিয়েছিল প্রথম দিনের খেলা। দ্বিতীয় দিনেও বৃষ্টির প্রকোপে পুরো খেলা হল না। দ্বিতীয় দিন সুদীপের সেঞ্চুরি এবং শাকিরের ৯৫ রানে ভর করে আরও সুবিধাজনক জায়গায় থাকতে পারত বাংলা। রনজির তৃতীয় ম্যাচে অভিষেক পোড়েলের দলের রান ৯ উইকেটে ৩৩৬। 

Advertisement

১৭১/১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে বাংলা। ত্রিপুরার উপর বড় রান চাপিয়ে দেওয়ার যাবতীয় সুযোগ ছিল বঙ্গ ব্রিগেডের সামনে। শাকির হাবিব গান্ধী এবং সুদীপ ঘরামি সেই লক্ষ্য নিয়েই ব্যাটিং করছিলেন। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৫ রান দূরে আউট হন সাকির। বাংলার রান তখন ২ উইকেটে ২১৩। শাকির আউট হলেও সেঞ্চুরি করেন সুদীপ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

১০৮ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন সুদীপ। ২৫০ বলের ইনিংসটিতে ছিল ১৫টি চার। এরপর দ্রুত ব্যবধানে উইকেট খোয়ায় বাংলা। রান পাননি অনুষ্টুপ মজুমদার (৬), অভিষেক পোড়েল (১১), সুমন্ত গুপ্ত (৫)-রা। একটা সময় ২৬২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় যায়।

Advertisement

সেখান থেকে শাহবাজ আহমেদ এবং উইকেটরক্ষক রাহুল প্রসাদ ৬১ রানের জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত ৩৫ রানে আউট হন প্রসাদ। শাহবাজকে সঙ্গ দিতে পারলেন না মহম্মদ কাইফ (০), মহম্মদ শামি (৫)-রা। বাংলার রান যখন ৯ উইকেটে ৩৩৬, বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ত্রিপুরার হয়ে রানা দত্ত নিলেন ৩ উইকেট। বিক্রমকুমার দাস ও মণিশঙ্কর মুরাসিংহ নেন দু’টি। বাকি উইকেট ভাগ করে নেন অভিজিৎ সরকার এবং স্বপ্নিল সিং। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.