সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিস্ফোরণ ঘটালেন দানিশ কানেরিয়া (Danish Kaneria)। শাহিদ আফ্রিদির (Shahid Afridi) বিরুদ্ধে বড় সড় অভিযোগ করলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিনার। কানেরিয়ার অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য আফ্রিদি তাঁকে চাপ দিতেন। তাঁকে বিভিন্ন ভাবে সমস্যায় ফেলা হত। কানেরিয়ার সঙ্গে বসে খেতেন না কয়েকজন পাক ক্রিকেটার।
পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম উল হকের কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছিলেন কানেরিয়া। প্রাক্তন পাক স্পিনার বলেন, ”আমার কেরিয়ার ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল। কাউন্টিও খেলছিলাম। ইনজামাম উল হক আমাকে খুব সাহায্য করেছিল। একমাত্র ক্যাপ্টেন যে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। শোয়েব আখতারও আমার পাশে ছিল। শাহিদ আফ্রিদি এবং বেশ কয়েকজন পাকিস্তানের ক্রিকেটার আমাকে সমস্যায় ফেলত। আমার পাশে বসে খেত না। ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য আমার উপরে চাপ প্রযোগ করত। কিন্তু আমার কাছে আমার ধর্মই শেষ কথা। শাহিদ আফ্রিদি প্রধান ব্যক্তি যে আমাকে বারংবার ধর্ম পরিবর্তন করার কথা বলত। ইনজামাম উল হক কখনওই আমার সঙ্গে এভাবে কথা বলেনি।”
[আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের পরেই রোহিতদের কোচ বদল, দ্রাবিড়ের জায়গায় আসতে পারেন লক্ষ্মণ]
এখানেই শেষ নয়। কানেরিয়া পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকেও একহাত নিয়েছেন। ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাক স্পিনার। তিনি বলেন, ”পিসিবি আমাকে সমর্থন করেনি। কারণ হিন্দু। আমি সব রেকর্ড ভেঙেছিলাম। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আমাকে দল থেকে বাদ দিতে পারেনি। ওরা জানত, আমি সব রেকর্ড ভাঙতে সক্ষম ছিলাম। একজন হিন্দু এতদূরে উঠেছে এমন দৃষ্টান্ত নেই পাকিস্তানে। ভারত কিন্তু সবাইকেই সুযোগ দেয়।”
উল্লেখ্য, এর আগে শোয়েব আখতার ঠিক একই ভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, কানেরিয়ার পাশে বসে খাবার খেতে অস্বীকার করতেন একাধিক পাক ক্রিকেটার। তা নিয়ে দারুণ আলোড়ন হয়েছিল।
[আরও পড়ুন: ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপে ভারতের সম্ভাবনা কতটা? প্রথমবার মুখ খুললেন ধোনি]
সর্বশেষ খবর
-
ডার্বিতে শারীরিক যুদ্ধের চেয়েও বেশি মানসিক লড়াই, মগজাস্ত্রের মহারণ নিয়ে কলম ধরলেন ব্যারেটো
-
‘ভাত-ডালের আগেই গুলি খেতে হবে’, গুন্ডাদের ‘ঠান্ডা’ করতে বারুইপুর-দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলীপের
-
তৃণমূল আমলে হয়নি কোনও সংস্কার, কোচবিহারে লরি-সমেত আস্ত সেতু ভেঙে নদীতে!
-
সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে সফর, ভাড়া লাগবে না সঙ্গীরও! রাখির উপহার যোগীর
-
জনগণনায় পিছিয়ে নবাবের জেলা, মুর্শিদাবাদে ১৩ হাজারের মধ্যে কাজ শেষ মাত্র একুশটি ইউনিটে!