Akash Deep

ভালো পারফর্মের খিদেই সবচেয়ে বড় গুণ, আকাশ দীপের মধ্যে শামির ছায়া দেখছেন সৌরাশিস

কেরিয়ারের তিন নম্বর টেস্ট খেলতে নামলেও ভারতীয় টিমের আবহের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে আকাশ দীপ, মত সৌরাশিস লাহিড়ীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৪, ১৫:১৩

options
link
ভালো পারফর্মের খিদেই সবচেয়ে বড় গুণ, আকাশ দীপের মধ্যে শামির ছায়া দেখছেন সৌরাশিস

সৌরাশিস লাহিড়ী: কানপুরে টেস্টের প্রথম দিন খুব বেশি খেলা হয়নি। আগের দিন বৃষ্টির জন‌্য মাঠে ভেজা থাকায় টস প্রায় এক ঘণ্টা পরে হয়েছিল। আবার পরের দিকে মন্দ আলোর জন‌্য অনেক আগেই খেলা শেষ হয়ে যায়। বাংলাদেশের স্কোর ১০৭/৩। তবে যেটুকু হল, তাতে একজনের কথা সবচেয়ে বেশি করে বলতে হবে। আকাশ দীপ। ওর ক্রিকেটীয় উত্থানের সাক্ষী থেকেছি। আকাশের সবচেয়ে গুণ কী জানেন? ওর শেখার ইচ্ছে। ভালো পারফর্ম করার খিদেটা মারাত্মক ওর মধ্যে। আমি আকাশের মধ্যে মহম্মদ শামির ছায়া দেখতে পারছি।
শামি যখন প্রথম টেস্ট খেলা শুরু করল, তখন প্রত্যেকদিন উন্নতি করত। আকাশও ঠিক সেটাই করছে। প্রথম টেস্টে যে বোলিং করেছিল, দ্বিতীয় টেস্টে তার চেয়ে ভালো বোলিং করেছে। কানপুরে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন যেরকম বোলিং করল, সেটা সত‌্যিই সুপার্ব। তার মানে বোঝাই যাচ্ছে, কেরিয়ারের তিন নম্বর টেস্ট খেলতে নামলেও ভারতীয় টিমের আবহের সঙ্গে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে আকাশ।
রোহিত টস জেতার পর প্রথমে ফিল্ডিং নিতে দু’বার ভাবেনি। আসলে গত কয়েক দিন ধরেই কানপুরে মেঘলা আবহাওয়া। সকালে ওরকম আবহাওয়ায় যে কোনও অধিনায়ক টস জিতলে ফিল্ডিংই নেবে। তবে জশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজের কথা মাথায় রেখেও বলছি, এই টেস্টের প্রথম দিন ভারতের সেরা বোলার আকাশই। স্কোরবোর্ডে ওর নামের পাশে দুটো উইকেট লেখা রয়েছে। কপাল ভালো থাকলে আরও কয়েকটা হতে পারত। মোমিনুল একটা সময় বুঝতে পারছিল না যে কী করবে। কোন বলটা খেলবে আর কোনটা ছাড়বে। পরের পর বল ‘বিট’ করে যাচ্ছিল। ভাগ‌্য একটু সঙ্গ দিলে তখনই আরও একটা উইকেট হয়ে যায় আকাশের। এখানে একটা কথা বলব। গত কয়েক দিন ধরেই দেখছিলাম কানপুরে কী টিম কম্বিনেশন সেটা নিয়ে খুব চর্চা হচ্ছে। ভারত তিন স্পিনারে খেলতে পারে, সেটা শোনা যাচ্ছিল। তবে আমি বলব তিন পেসারের সঙ্গে দুই স্পিনার নিয়ে নামার সিদ্ধান্ত একেবারেই সঠিক।
যাই হোক, প্রথম দিন যেটুকু সময় খেলা হয়েছিল, সেটা অত‌্যন্ত উপভোগ‌্য হয়েছে। আরও ভালো লাগল এরকম একটা পিচে ভারতীয় টিমকে টেস্ট খেলতে দেখে। যেখানে পেসারদের জন‌্য রসদ রয়েছে। স্পিনাররা ভালো বোলিং করেছে। ব‌্যাটাররাও শট খেলতে পেরেছে। আসলে ভারতের মাটিতে খেলা মানে সবার একটা ধারণা হয়ে গিয়েছেল যে, প্রথম দিন থেকেই বল ঘুরতে শুরু করবে। সেটা বিশ্ব ক্রিকেটে খুব একটা ভালো বিজ্ঞাপন নয়। 

Advertisement
Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.