Kuldeep Yadav

‘ওয়ার্নের পর ওই সেরা’, ভারতীয় স্পিনারের হয়ে জোরদার সওয়াল গুরু গ্রেগের

শুভমানদের জয়ের জন্য পরামর্শও দিলেন ভারতের প্রাক্তন কোচ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ০৯:২৯

options
link
‘ওয়ার্নের পর ওই সেরা’, ভারতীয় স্পিনারের হয়ে জোরদার সওয়াল গুরু গ্রেগের
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ভারতীয় ব্যাটাররা পাঁচ-পাঁচটা সেঞ্চুরি করা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত পাঁচ উইকেটে টেস্ট হেরেছে ভারত। এবং কিংবদন্তি অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক গ্রেগ চ্যাপেল মনে করেন, প্রথম টেস্টে ভারতকে ভুগিয়েছে বোলিং। তাঁর মতে, লিডসে ভারতীয় বোলিং লাইন আপে যথেষ্ট বৈচিত্র ছিল না। গ্রেগ চান, দ্বিতীয় টেস্টের টিমে বোলিং বৈচিত্র বাড়ানোয় মন দিন শুভমান গিলরা। তাঁর রায়, অর্শদীপ সিংকে খেলানো হোক। খেলানো হোক, কুলদীপ যাদবকেও। গ্রেগ যাঁকে শেন ওয়ার্ন-উত্তর সময়ে শ্রেষ্ঠ রিস্টস্পিনার মনে করেন।

Advertisement

‘হেডিংলেতে ভারত খুব খারাপ ফিল্ডিং করেছে। কিন্তু তার পরেও আমি বলব, টেস্ট হারের প্রধান কারণ সেটা নয়। আসলে নিজেদেরই বেশ কিছু ভুল ভুগিয়েছে ভারতকে। সবচেয়ে বড় ভুল, প্রথম ইনিংসে হ্যারি ব্রুককে করা নো বল। সেই বলটায় আউট হয়ে গিয়েছিল ব্রুক। এবং জীবন পেয়ে ৯৯ করে যায়,’ এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটে লেখা কলামে লিখেছেন গুরু গ্রেগ। যাঁর মতে, ফিল্ডিংয়ের চেয়েও ভারতকে ভুগিয়েছে টিমের একমাত্রিক বোলিং। মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, শার্দূল ঠাকুর-এঁরা প্রত্যেকে একই রকম বোলার। ‘ভারতের বোলিংয়ে বৈচিত্র ছিল না। জশপ্রীত বুমরাহকে বাদ দিলে, বাকি ভারতীয় সিমাররা সবাই প্রায় একই রকম। সবাই ডান হাতি। সবাই মিডিয়াম পেস বোলিং করে। সবার বোলিং অ্যাঙ্গেলও মোটামুটি এক,’ লিখেছেন গ্রেগ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘একটা উইকেট পড়লে, পরপর গোটা কয়েক উইকেট যে আমরা যেতে দেখি, তার কারণ আছে। কারণটা হল, বোলিংয়ে বৈচিত্র থাকলে, নতুন ব্যাটারের পক্ষে অ্যাডজাস্ট করতে সমস্যা হয়। শুভমান গিলের লিডস টেস্টের টিমে যা ছিল না। দ্বিতীয় টেস্টে জশপ্রীত বুমরাহ না খেললে, অর্শদীপ সিংকে খেলানো উচিত। আর অবশ্যই কুলদীপ যাদবকে। যে কি না আমার মতে, ওয়ার্ন পরবর্তী যুগের শ্রেষ্ঠ রিস্ট স্পিনার। আর বুমরাহ খেললেও বোলিং আক্রমণে আরও বেশি শৃঙ্খলাপরায়ণ হওয়া উচিত। কাউকে দেখলাম না, পরপর দু’টো ডেলিভারি ভয়ঙ্কর জায়গায় করতে। হয় অতিরিক্ত বেশি ফুল লেংথে করছে। না হলে শর্ট পিচড। নইলে অতিরিক্ত বাইরে করছে।’ গ্রেগের মতে, ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও কিন্তু পার্টনারশিপের প্রয়োজন রয়েছে।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.