Harshit Rana

‘প্রত্যেকদিন কাঁদতাম’, কোন যন্ত্রণায় গুমরে মরতেন গম্ভীরের ‘প্রিয়পাত্র’ হর্ষিত?

হর্ষিত রানাকে নিয়ে সমালোচনা কম নয়। গম্ভীরের ‘পছন্দের’ বলে সুযোগ পান, এমন কথাও ওঠে। কিন্তু একটা সময় ছিল, যখন কিছুই ছিল না। সেখান থেকে কীভাবে কামব্যাক করলেন ভারতীয় পেসার?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:৪০

options
link
‘প্রত্যেকদিন কাঁদতাম’, কোন যন্ত্রণায় গুমরে মরতেন গম্ভীরের ‘প্রিয়পাত্র’ হর্ষিত?
হর্ষিত রানা। ফাইল ছবি

তাঁকে নিয়ে সমালোচনা কম নয়। গম্ভীরের ‘পছন্দের’ বলে সুযোগ পান, এমন কথাও ওঠে। তবে হর্ষিত রানা কিন্তু প্রতিনিয়ত প্রমাণ করছেন, কেন তিনি গম্ভীরের ‘প্রিয়পাত্র’? একটা বিষয় তো স্পষ্ট। সমালোচনাকে আদৌ পাত্তাই দেন না হর্ষিত। কিন্তু একটা সময় ছিল, যখন কিছুই ছিল না। বাবার সামনে প্রতিনিয়ত কাঁদতেন। সেখান থেকে কীভাবে কামব্যাক করলেন ভারতীয় পেসার?

Advertisement

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে দুই উইকেট তোলেন হর্ষিত। পরের ম্যাচেও একটি উইকেট। হর্ষিতকে নিয়ে সমালোচনা হলেও তিনি কিন্তু নিয়মিত পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তবে দুঃখের অতীতও কাটিয়ে এসেছেন। হর্ষিত বলছেন, “আমি এখন জানি, কীভাবে ব্যর্থতা সামলাতে হয়। কিন্তু দশ বছর এমনও গিয়েছে, যখন কোনও কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছিল না। ট্রায়ালে যেতাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার নাম আসত না। প্রত্যেকদিন বাড়ি ফিরে বাবার কাছে কাঁদতাম। এখন আমি ভাবি, সেই ব্যর্থতা নেই। যাই আসুক না কেন সামলে নেব। আমি হাল ছাড়িনি। আমার বাবা প্রত্যেকদিন আমাকে সাহস জোগাতেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর এখন? কোহলি-রোহিতরা পাশে থাকেন। নেটে তাঁদের বিরুদ্ধে বল করেই শক্তিশালী হয়েছেন। হর্ষিতের বক্তব্য, “বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের সহজ বল করা যায় না। তাঁদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে কখন নেটে ফিরবেন। ওঁরা প্রতি মুহূর্তে আমাকে আরও ভালো করার চ্যালেঞ্জ করেন। তাই আমিও নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি।”

Advertisement

বাবা প্রদীপ রানা যে তাঁর মূল শক্তি, হর্ষিত আগেও স্বীকার করেছেন। প্রথম ওয়ানডেতে ২৩ বলে ২৯ রানের মহামূল্যবান ইনিংস খেলে যান। তিনি বলেছিলেন, “বাবাই আমাকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নিয়ে আসেন। আমার এখন মনে হচ্ছে, ওঁকে ফোন করলে বকা খাব। কারণ জেতার ২০ রান আগে আমি আউট হয়ে যাই। এমনিতে প্রতি ম্যাচের পর বাবা আমাকে ফোন করেন। এখন আমিই ফোন করতে ভয় পাচ্ছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.