Jay Shah

বাংলাদেশকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি? বিসিসিআই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ

বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের দাবি মানবে না আইসিসি, দাবি সূত্রের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ২০:৩৬

options
link
বাংলাদেশকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি? বিসিসিআই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ
জয় শাহ। ফাইল চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে আসবে কিনা তা নিয়ে রীতিমতো টানাপোড়েন চলছে। এরই মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিসিসিআই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। রবিবার বরোদায় ভারত-নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ চলাকালীনই ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন জয়। মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশ যদি নিতান্তই ভারতে খেলতে না আসে, তাহলে বিকল্প কী বন্দোবস্ত হতে পারে, তা নিয়েই আলোচনা হবে ওই বৈঠকে।

Advertisement

ভারতে এসে বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব নয়। নিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে ইতিমধ্যেই আইসিসিকে গোটা দুয়েক চিঠি লিখেছে বিসিবি। প্রথম চিঠির জবাবে জয় শাহর আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, শেষমুহূর্তে ভেন্যুবদল সম্ভব নয়। ভারতে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। শোনা যাচ্ছে, দ্বিতীয় চিঠিরও ওই একই রকম জবাব আইসিসি দেবে বাংলাদেশ বোর্ডকে। আইসিসির যুক্তি, বিসিবি শুধু মুখেই নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কথা বলছে। কিন্তু আদতে কোনও যুক্তিপূর্ণ কারণ দর্শাতে পারেনি। শোনা যাচ্ছে, আইসিসি মোটামুটি মনস্থির করে ফেলেছে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় চিঠির দাবিও নাকচ করে দেওয়া হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঠিক এই আবহে ভারতীয় বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে আইসিসির চেয়ারম্যানের বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি বাংলাদেশকে ছাড়াই বিশ্বকাপের কথা ভাবা হচ্ছে? মনে করা হচ্ছে, রবিবারের বৈঠকের পরই ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে। আইসিসির শীর্ষকর্তা বাংলাদেশ খেলতে আসবে ধরেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন বিসিসিআইকে। আর যদি শেষ পর্যন্ত বিসিবি অনড় থাকে তাহলে তাঁদের বাদ দিয়ে কীভাবে বিশ্বকাপ করা সম্ভব সেটা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। অবশ্য সবটাই জল্পনার স্তরে।

Advertisement

ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। একটা বিষয় মোটামুটি নিশ্চিত, বাংলাদেশের চাপে মাথা নোয়াবে না আইসিসি। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ম্যাচগুলির সূচি বদলানো হবে না। ম্যাচের দিন দল না নামালে বাংলাদেশ পয়েন্ট পাবে না। অর্থাৎ ধরে নেওয়া হবে তারা ওয়াকওভার দিয়েছে। বাকি দলগুলোকে জয়ী হিসেবে পয়েন্ট দেওয়া হবে। এর আগে ২০০৩-র বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় ওয়াকওভার দিয়েছিল ইংল্যান্ড। আর একটা সম্ভাবনা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরে গেলে অন্য দলকে নিয়ে নেওয়া হবে। যেমন ২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া খেলতে না যাওয়ায় সেই জায়গায় আয়ারল্যান্ডকে নেওয়া হয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.