সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় সময়ে ২ জুন থেকে শুরু হয়ে যাবে টি-২০ বিশ্বকাপ (ICC T20 World Cup 2024)। প্রতিটি দলেরই প্রস্তুতি তুঙ্গে। এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আমেরিকায় হতে চলেছে কুড়ি-কুড়ির বিশ্বযুদ্ধ। কিন্তু আচমকাই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াল বিশ্বকাপের সূচি। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের দিনক্ষণ নিয়ে ভাবনা বাড়ল আইসিসির (ICC)।
আসন্ন বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে ২০টি দল। চারটি গ্রুপের প্রথম দুটি করে দল যোগ্যতা অর্জন করবে সুপার এইটে। দুটি সেমিফাইনালই ভারতীয় তারিখ অনুযায়ী হবে ২৭ জুন। ফাইনাল ২৯ জুন। এই দুটি দিন নিয়েই আশঙ্কার মেঘ ঘনাচ্ছে। সংশয়ে পড়েছে খোদ আইসিসিও। কারণ মাত্র একদিনের ব্যবধানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের মধ্যে কোনও অতিরিক্ত দিন বা রিজার্ভ ডে নেই।
[আরও পড়ুন: দ্রাবিড়ের চেয়ারে বসবেন কে? রোহিত-বিরাটদের হেডস্যর খুঁজতে বিজ্ঞাপন দিল বোর্ড]
এর আগে আইসিসি জানিয়েছিল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মধ্যে অবশ্যই রিজার্ভ ডে থাকবে। কিন্তু অ্যাপেক্স সংস্থা এখনও এই বিষয়ে মুখ খোলেনি। ফলে ক্রিকেটাররা কীভাবে বিশ্রাম পাবেন, সেটা ভাবনার বিষয়। তাছাড়া দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গুয়ানায়। ফাইনাল বার্বাডোসে। দুটি অঞ্চলের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৯০০ কিমি। কম সময়ের ব্যবধানে এতটা পথ পাড়ি দিয়ে ফাইনাল খেলতে নামা কষ্টকর হবে ক্রিকেটারদের পক্ষে।
[আরও পড়ুন: উদ্বেগ বাড়াচ্ছেন ইংরেজ ক্রিকেটাররা, রাজস্থান থেকে বিদায় বাটলারের, এবার কি নাইট শিবির ছাড়বেন সল্ট?]
সমস্যা এখানেই মিটছে না। জুন মাসে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে গ্রীষ্মকাল। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। চলতি আইপিএলেই আহমেদাবাদে গুজরাট ও কলকাতার ম্যাচ বাতিল হয়েছে। ফলে সেমিফাইনালের কোনও একটি ম্যাচ বৃষ্টির জন্য বাতিল হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। সাধারণত যে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতায় অন্তত দুটি অতিরিক্ত দিন থাকে। আইসিসি কীভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করে সেটাই এখন দেখার।
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ