সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপ (ICC World Cup 2023) শুরু হতে বাকি মাত্র ১৫ দিন। মেগা টুর্নামেন্টের আগে কোমর বেঁধে তৈরি ক্রিকেটপ্রেমীরা। তার মধ্যেই প্রকাশ্যে এল বিশ্বকাপের অফিশিয়াল অ্যান্থেম ‘দিল জশন বোলে’। ভারতীয় সংগীত কম্পোজার প্রীতমের (Pritam) সুরে তৈরি হয়েছে এই গান। অ্যান্থেমের ভিডিওতে দেখা গিয়েছে রণবীর সিংয়ের (Ranveer Singh) মতো তারকাকে। বিশেষ এই গানে গলা মিলিয়েছেন এক ঝাঁক ভারতীয় গায়ক-গায়িকা।
২০১১ সালে ভারতের মাটিতে আয়োজিত ক্রিকেট বিশ্বকাপে সকলের মন জয় করেছিল অ্যান্থেম ‘দে ঘুমাকে’। তার ১২ বছর পরে ফের মেগা টুর্নামেন্টে বাজবে ভারতীয় কম্পোজারের তৈরি গান। বুধবার নতুন অ্যান্থেম প্রকাশ করেছে আইসিসি। ক্রিকেটপ্রেমীদের সঙ্গে মিলে গানের তালে তালে নেচে উঠলেন বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং। বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার যতীন সপ্রুকেও দেখা গিয়েছে এই ভিডিওতে।
[আরও পড়ুন: এবার হোয়াটসঅ্যাপেও মোদি, জেনে নিন কীভাবে পাবেন প্রধানমন্ত্রীর বার্তা]
আইসিসির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে নতুন এই গান। প্রীতমের পাশাপাশি গানটি কম্পোজের দায়িত্ব পালন করেছেন র্যাপার চরণও। ভারতীয় সংগীতের সুরের পাশাপাশি গানটিতে রয়েছে পশ্চিমি দুনিয়ার র্যাপের ছোঁয়া। তাঁদের সুরে গলা মিলিয়েছেন নাকাশ আজিজ, অমিত মিশ্র, জোনিতা গান্ধীর মতো গায়করা। গানটির দুই কম্পোজার প্রীতম ও চরণও এই গানটি গেয়েছেন। মোট সাত জন মিলে গেয়েছেন বিশ্বকাপের অফিশিয়াল অ্যান্থেম।
এই গানের ভিডিওতে পারফর্ম করতে পেরে উচ্ছ্বসিত বলিউড তারকা রণবীর সিং। তিনি বলেন, “২০২৩ সালের বিশ্বকাপের অ্যান্থেমের একটি অংশ হতে পেরে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি। আমরা সকলেই এই খেলা খুব ভালোবাসি।” বিশ্বকাপের অ্যান্থেম তৈরি করতে পেরে গর্বিত বাঙালি সংগীত পরিচালক প্রীতমও। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি অন্যান্য মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপেও শোনা যাবে এই গান।
[আরও পড়ুন: সংবিধান থেকে উধাও ‘সেকুলার’ ও ‘সোশালিস্ট’, কেন্দ্রের বিরোধিতায় সরব কংগ্রেস]
সর্বশেষ খবর
-
ঘরে উদ্ধার বাবা-মা-নাবালিকা মেয়ের দেহ! দেওয়ালের সুইসাইড নোটে লেখা, ‘দায়ী রবীন্দ্রনাথ’, আটক ৪
-
অবৈধ সম্পর্ক, তরুণীকে খুনের হুমকি! খান স্যরের বিরুদ্ধে এফআইআর পাটনায়
-
আগের রাতের এই ৬ খাবার পরদিন গরম করে খান? পেটের সর্বনাশ হল বলে!
-
খাবার টেবিলে সঙ্গীর অভাব? একসঙ্গে খাওয়াতেও লুকিয়ে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি, একায় বিপদ কোথায়?
-
নেপালে ধেয়ে আসছে মৃত্যুবান! ৫ মাস আগেই সতর্ক করেছিল জোড়া রিপোর্ট, তবু কেন উপেক্ষা?