IND vs ENG

পরপর ব্যর্থতা, রোহিতের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকা

রোহিত কি অধিনায়কত্বের চাপে ভুগছেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৪, ১৬:৩৩

options
link
পরপর ব্যর্থতা, রোহিতের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকা
আউট হয়ে ফেরার সময় রোহিত শর্মা। ছবি: X হ্যান্ডেল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপে তাঁকে মারকুটে মেজাজে দেখা গিয়েছিল। প্রতি ম্যাচেই বিপক্ষের বোলিংকে বুঝে নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। কিন্তু টেস্টে তাঁর ব্যাটে রানের খরা চলছেই। সেটা ইংল্যান্ডের (England) বিরুদ্ধে চলতি টেস্ট সিরিজেও (IND vs ENG) দেখা গেল। হায়দরাবাদের দুই ইনিংসে ২৪ ও ৩৯ রানে সেট হয়েও আউট হয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার (Team India) অধিনায়ক। আর এবার দ্বিতীয় টেস্টে নবাগত শোয়েব বশিরের (Shoaib Bashir) বলে ফিরলেন হিটম্যান। এহেন রোহিত আউট হতেই তাঁর কড়া সমালোচনা করলেন কেভিন পিটারসেন (Kevin Pitersen)।

Advertisement

অলি পোপের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে রোহিত ফিরতেই পিটারসেন মাইক হাতে বলেন, “বিরাট কোহলি খেলছে না। তাই মনে করেছিলাম রোহিত আরও দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করবে। দলের সবচেয়ে সিনিয়র ব্যাটার। এরসঙ্গে আবার দলের অধিনায়ক। কিন্তু রোহিতের ব্যাটিং দেখে সেটা একেবারেই মনে হচ্ছে না।” এখানে থেমে না থেকে ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক ফের বলেন, “ওপেনার হিসেবে রোহিত নিজের ভূমিকা পালন করতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। এবং এর প্রভাব পড়ছে ওর অধিনায়কত্বে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: শেহওয়াগের মতো মারকুটে মেজাজে শতরান! যশস্বীর উত্থানের অজানা গল্প শোনালেন ছোটবেলার কোচ]

২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষবার শতরান করেছিলেন রোহিত। সেই সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল ১০৩ রান। ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংসে হিটম্যানের ব্যাট থেকে এসেছিল ৮০ ও ৫৭ রান। এর পর থেকে কেটে গেল সাত ইনিংস। রোহিতের ব্যাটে বড় রানের দেখা নেই। কয়েক দিন আগে জিওফ্রে বয়কট (Geoffrey Boycott) ভারতের অধিনায়কের কড়া সমালোচনা করেছিলেন। এবার সেই দলে নাম লেখালেন কেপি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অ্যান্ডারসনের সুইংয়ে পরাস্ত হয়ে মোট পাঁচবার আউট! শুভমানের খারাপ ফর্ম চলছেই]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.