IND vs PAK Handshake Controversy

পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে করমর্দনে ‘না’ সূর্যকুমারদের, কাকে কাঠগড়ায় তুলছে পিসিবি?

পিসিবি'র তরফে এক বিবৃতিও জারি করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:০৮

options
link
পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে করমর্দনে ‘না’ সূর্যকুমারদের, কাকে কাঠগড়ায় তুলছে পিসিবি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাননি। যা নিয়ে চর্চা অব্যাহত। কিন্তু এবার এই প্রসঙ্গ নতুন মোড় নিয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অভিযোগ, তৃতীয় কোনও পক্ষের নির্দেশেই নাকি ভারত এই কাজ করেছে।

Advertisement

ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর পিসিবি থেকে একটা বিবৃতি জারি করা হয়। সেখানে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিযোগ এনে বলা হয়েছে, ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট দুই দলের ক্রিকেটারদের হাত না মেলানোর নির্দেশ দিয়েছে। পিসিবি’র বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘টসের সময় ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট পালিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘাকে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে হাত না মেলানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। সূর্যকুমারকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ম্যাচ রেফারির নির্দেশেই ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাননি (IND vs PAK Handshake Controversy)।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘পাকিস্তান দল এই ব্যাপারে ক্ষুব্ধ। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। এমন আচরণ ক্রিকেটীয় মানসিকতার পরিপন্থী। ভারতীয় দলের আচরণের প্রতিবাদে সলমন আঘা ম্যাচ-পরবর্তী উপস্থাপনা এড়িয়ে যান। কারণ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক একজন ভারতীয় ছিলেন।’

Advertisement

উল্লেখ্য, খেলার পর কুলদীপ যাদবের সঙ্গে কথা বলার পর সঞ্চালকের ভূমিকায় থাকা সঞ্জয় মঞ্জরেকর ডেকে নেন সূর্যকুমারকে। তখন কিন্তু কোথাও দেখা যায়নি পাকিস্তান অধিনায়ককে। কেন তিনি উপস্থিত ছিলেন না, সেটা অবশ্য তখনও বোঝা যায়নি। কারণটা বোঝা গিয়েছিল পাকিস্তান কোচ মাইক হেসনের বক্তব্যের পর। ম্যাচ পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে এসে তিনি জানান, ভারতের আচরণের কারণেই আসেননি সলমন।

অন্যদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে সূর্যকুমার বলেছিলেন, “কয়েকটা কথা বলতে চাই। এর থেকে ভালো সুযোগ হয়তো পাব না। আমার মনে হয় স্পোর্টসমানশিপের ঊর্ধ্বেও কিছু জিনিস আছে। আমরা পহেলগাঁওয়ে নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা রয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীরও পাশে রয়েছি। আমরা এখানে আসার সময়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, খেলতে আসছি। এর যোগ্য জবাব দিতে চেয়েছিলাম। মাঠেই এর যথাযথ জবাব দিয়েছি। বিসিসিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একমত।” তবে, পাকিস্তান যে এই ঘটনাকে নেক নজরে দেখছে না, তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে পিসিবি এবং তাদের কোচের কথায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.