সিরিজে দুর্দান্ত কামব্যাক বিরাটদের, ট্রেন্টব্রিজে ধরাশায়ী ইংল্যান্ড

আপাতত ১-২ ব্যবধানে পিছিয়ে তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৮, ১৬:১৮

options
link
সিরিজে দুর্দান্ত কামব্যাক বিরাটদের, ট্রেন্টব্রিজে ধরাশায়ী ইংল্যান্ড

ভারত: ৩২৯ ও ৩৫২/৭ (ডিক্লেয়ার)

Advertisement

ইংল্যান্ড: ১৬১ ও ৩১৭

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০৩ রানে জয়ী ভারত

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষবার ট্রেন্টব্রিজেই ১-০-য় টেস্ট সিরিজ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। প্রায় ১১ বছর পর সেই ট্রেন্টব্রিজেই শাপমুক্তি ঘটল বিরাটবাহিনীর। লাগাতার সমালোচনায় জর্জরিত ভারতীয় দল শেষমেশ ঘুরে দাঁড়াল। ২০৩ রানের বিরাট ব্যবধানে জিতে কোহলিরা বুঝিয়ে দিলেন, হারার আগে হারতে রাজি নন তাঁরা। আর সেই সঙ্গে টেস্ট সিরিজ জয়ের আশা জিইয়ে রাখলেন তাঁরা।

[এশিয়াডে ভারতের সোনালি সফর অব্যাহত, চোট সারিয়েই সার্কিটে সোনা ফলালেন রাহী]

কথায় বলে মর্নিং শোজ দ্য ডে। নটিংহামে বিরাটদের আত্মবিশ্বাসী শুরুটাই যেন জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিল। ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং, তিন বিভাগেই অদ্ভুতভাবে কামব্যাক করল গোটা দল। একার কৃতিত্বে নয়, দলগত পারফরম্যান্সেই জো রুটদের মাটি ধরালো টিম ইন্ডিয়া। এজবাস্টন এবং লর্ডসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ। সেই হতাশা কাটিয়ে প্রথম ইনিংসেই বড় রানে পৌঁছে যায় দল। সৌজন্যে কোহলি-রাহানে জুটি। প্রথম দুই টেস্টে ভারতের যে হাল হয়েছিল, তৃতীয় টেস্ট ঠিক তেমনটাই অসহায় দেখাচ্ছিল ইংল্যান্ডকে। হার্দিক পাণ্ডিয়ার ঝোড়ো বোলিংয়ের দৌলতে প্রথম ইনিংসে দেড়শো রানের গণ্ডিও টপকাতে পারেননি অ্যান্ডারসনরা। যখন হার প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে, তারপরও অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসে লড়ে গিয়েছিলেন ব্রিটিশ ব্যাটসম্যানরা। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে খাদ থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বাটলার। কিন্তু ভারতীয় বোলাররা ছিলেন নাছোড়বান্দা। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের নায়ক যদি হন পাণ্ডিয়া, তো দ্বিতীয় ইনিংস তাদের ধ্বংসের কারণ হয়ে রইলেন জশপ্রীত বুমরা। একাই তুলে নেন পাঁচটি উইকেট। আর তাতেই  নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের জয়।

[বন্যাদুর্গতের জন্য পাঠান ভাইদের উদ্যোগ প্রশংসা কুড়োচ্ছে নেটদুনিয়ার]

প্রথম দুই টেস্টে বিরাট কোহলির উপরই যেন নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল গোটা দল। তিনি পারফর্ম না করার অর্থই দলের হার। ক্রিজে টিকতে পারেননি ভারতীয় ওপেনাররা। বোলিংও তথৈবচ। অশ্বিন, ইশান্তদের লজ্জায় ফেলে বারবারই পাহাড় প্রমাণ রানে পৌঁছে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। এরপরই প্রশ্ন ওঠে কোহলির নেতৃত্ব নিয়ে। দুই পেসার নিয়ে খেলার জন্য সমালোচনার মুখে পড়তে হয় কোচ রবি শাস্ত্রীকেও। কিন্তু নটিংহামে আর কোনও ভুল করেননি। পুরনো ত্রুটি শুধরেই নিন্দুকদের জবাব দিলেন বিরাট। আর তাতেই রক্ষা পেল টেস্ট সিরিজ। আপাতত ১-২ ব্যবধানে পিছিয়ে তাঁরা। পরের দুটি টেস্ট জিততে পারলেই ইংল্যান্ডের মাটিতে ইতিহাস গড়বে কোহলি অ্যান্ড কোং। ট্রেন্টব্রিজে জিতে ক্রিকেটপ্রেমীদের অন্তত সে স্বপ্ন দেখাতেই শুরু করল টিম ইন্ডিয়া। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.