ভারত:২৯৭, ১৮৫-৩ (রাহানে ৫৩*, কোহলি ৫১*, চেজ ২-৬৯)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২২২ (চেজ ৪৮, হোল্ডার ৩৯, ইশান্ত ৫-৪৩, সামি ২-৪৮)
ভারত ২৬০ রানে এগিয়ে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা প্রায়শই বলে থাকেন, টেকনিকের চেয়েও ক্রিকেট নামক খেলাটায় একটা জিনিস বড় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। সেটা হল আত্মবিশ্বাস। আর সেই আত্মবিশ্বাস যে এক ঝটকায় একজন ক্রিকেটারের পৃথিবী কতটা পালটে দিতে পারে, তার সবচেয়ে টাটকা প্রমাণ বোধহয় অজিঙ্ক রাহানে।
[আরও পড়ুন: অবসর ভেঙে ২২ গজে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন আম্বাতি রায়ডু]
প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৮১। দ্বিতীয় ইনিংসে আপাতত রাহানে ব্যাটিং ৫৩। শনিবার রাত দু’টো পর্যন্ত। ক্রিজে এই মুহূর্তে সঙ্গী বিরাট কোহলি (৫১ ব্যাটিং)। ভারত এখনই এগিয়ে গিয়েছে ২৬০ রানে। হাতে এখনও পড়ে সাত উইকেট এবং টেস্টের বাকি আরও দু’দিন। সব কিছু ঠিকঠাক চললে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম টেস্ট কোহলির ভারতের জেতা উচিত। কারণ ভারত একবার সাড়ে তিনশো রানের টার্গেট দিয়ে দিলে সেটা চতুর্থ ইনিংসে ভারতীয় বোলিংয়ের সঙ্গে লড়ে তোলা কঠিন হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে।
তবে এটা মানতেই হবে যে, রাহানে-কোহলির ব্যাটিংয়ের মঞ্চটা তৈরি করে দিয়েছেন একজনই ইশান্ত শর্মা। ১৭ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট তুলে নেন ইশান্ত। যার মধ্যে সাই হোপ এবং শিমরন হেটমায়ারের দু’টো অসাধারণ কট অ্যান্ড বোল্ড আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে একটা সময় ১৭৪-৫ ছিল। কিন্তু সেই সময় ইশান্তের দু’ওভারে তাদের তিন উইকেট চলে যায়। তার পরেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিছুটা এগিয়েছে অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের ব্যাটিংয়ের (৩৯) কারণে। এবং শেষ পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে শেষ করেছে ২২২ রানে।
[আরও পড়ুন: শেহওয়াগের বিয়েতে বড় ভূমিকা ছিল জেটলির, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর প্রয়াণে ব্যথিত বীরু]
ইশান্ত পাঁচ উইকেট নিয়েছেন তো বটেই। বাকিরাও খারাপ বোলিং করেননি। মহম্মদ শামি দু’টো উইকেট তোলেন। ৪৮ রান দিয়ে। রবীন্দ্র জাদেজা ব্যাটে হাফসেঞ্চুরি করার পর বল হাতেও দু’উইকেট তুলে নিলেন। সব মিলিয়ে ৬৪ রান দিয়ে দু’উইকেট পান জাদেজা। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শনিবার শুরুর দিকেই ঝটকা খেয়ে গিয়েছিল ভারত। ব্যক্তিগত ১৬ রানের মাথায় রস্টন চেজের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান ভারতীয় ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল। সেখান থেকে ভারতীয় ইনিংসকে কিছুটা টানেন কেএল রাহুল (৩৮) এবং চেতেশ্বর পুজারা (২৫)। কিন্তু তার পরেও একটা সময় ৮১ রানে তিন উইকেট চলে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে খেলা ধরে নেন ভারতীয় অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক। কেমার রোচ, শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের পেস বোলিং কিংবা রস্টন চেজের অফস্পিন, কিছুই তাঁদের বিপদে ফেলতে পারেনি।
সর্বশেষ খবর
-
কম সুদে চটজলদি লোন পাইয়ে দেওয়ার ছক! বড়সড় প্রতারণাচক্রের পর্দাফাঁস লালবাজারের
-
‘একতরফা পদক্ষেপ নয়’, সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্কে আমেরিকাকে আলোচনায় বসার বার্তা ভারতের
-
অবিশ্বাস্য লড়াইয়েও শেষরক্ষা হল না মুচোভার, ‘চেক-মেটে’ উইম্বলডনের নতুন রানি নোসকোভা
-
বীরগাথা থেকে দেশভাগের যন্ত্রণা, বাংলায় পার্টিশন মিউজিয়াম বানানোর প্রস্তাব গোপাল পাঁঠার পরিবারের
-
প্রথমে দু’হাজার, তারপর দৈনিক ৩ লক্ষ টাকা! রামমন্দিরে চুরির তদন্তে স্বীকারোক্তি অভিযুক্তের