লিনের চওড়া ব্যাটে চিন্নাস্বামীতে বিরাটদের হেলায় হারাল কেকেআর

দুটি পয়েন্ট ঘরে তুলে প্লে-অফের রাস্তা চওড়া করল নাইটবাহিনী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৮:২১

options
link
লিনের চওড়া ব্যাটে চিন্নাস্বামীতে বিরাটদের হেলায় হারাল কেকেআর

আরসিবি: ১৭৫/৪ (ম্যাকালাম-৩৮, কোহলি-৬৮*)

Advertisement

কেকেআর: ১৭৬/৪ (লিন-৬২*, উথাপ্পা-৩৬)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

৬ উইকেটে জয়ী কেকেআর

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর ভাগ্য খারাপ নাকি কেকেআরের একটু বেশিই ভাল? কোনটা বললে ঠিক হবে বোঝা যাচ্ছে না। চিন্নাস্বামীতে ম্যাচ শুরুর আগেই কেকেআর শিবিরের চূড়ান্ত স্বস্তি বিপক্ষ দলে ডিভিলিয়ার্সের অনুপস্থিতি। ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আচমকাই বসতে হল দুরন্ত ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যানকে। আর সেখানেই যেন অর্ধেকটা হেরে বসল বিরাটের দল। বাকিটা হারতে হল কেকেআরের আত্মবিশ্বাসের কাছে।

[কেন টিম ইন্ডিয়া থেকে বাদ পড়েছিলেন গম্ভীর, ফাঁস করলেন প্রাক্তন নির্বাচক]

প্লে-অফে পৌঁছানোর জন্য রবিবারের ম্যাচটা দুই দলের কাছেই ছিল ডু অর ডাই। তাই জয়ের খিদেটা উভয়পক্ষেই ছিল সমান মাত্রায়। তবে আরসিবি সেই খিদেটা কথায় প্রকাশ না করে কাজে করে দেখাতে পারলেই হয়তো প্রশংসনীয় পেত। বিশ্বমানের ব্যাটসম্যান-বোলার সম্মিলিত একটি দল এখনও পর্যন্ত আইপিএল ট্রফির মুখ দেখেনি। আর সেখানে কিনা মরণ-বাঁচন লড়াইয়ে একের পর এক ক্যাচ হাতছাড়া করে গেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ফিল্ডাররা। আর তাতেই কেকেআরের কাজটা তুলনামূলক সহজই হয়ে গেল। একেতেই তো এবিকে সামলানোর ঝক্কি ছিল না। তার উপর ব্যাট করতে নেমে আরসিবি ফিল্ডারদের সৌজন্যে একাধিকবার রক্ষা পেয়ে গেলেন সুনীল নারিন (২৭)। আর সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে শক্ত করে দিলেন দলের ভিতটা। এরপর কেকেআরের জন্য সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে এল চিন্নাস্বামী জুড়ে এক পশলা বৃষ্টি। তাতেই আউটফিল্ড আরও মসৃণ হল। আর ছোট মাঠে এমন পরিস্থিতিতে বাউন্ডারি হাঁকানোর সুযোগ কোন ব্যাটসম্যানই বা হাতছাড়া করতে চান! দুর্দান্ত একটা ইনিংস খেলে ক্রিস লিন শুধু দলকেই অক্সিজেন দিলেন না, আরসিবির ট্রফি জয়ের স্বপ্ন আরও একবার কার্যত শেষও করে দিলেন।

এদিন ব্যাট হাতে যদি লিন রাম হন, তো বল হাতে সুগ্রিব হয়েছিলেন আন্দ্রে রাসেল। মাঠের মধ্যেই নিজের জন্মদিনটা যে এভাবে সেলিব্রেট করবেন, কে জানত। নিজেকে নিজেই লোভনীয় উপহারও দিলেন। ৩ ওভারে ৩১ রান দিয়ে তুলে নিলেন তিনটি মূল্যবান উইকেট। বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং লাইন-আপে এদিন এবির অভাব যেন একটু বেশিই অনুভূত হচ্ছিল। তবে যতটা সম্ভব সে অভাব পূরণ করলেন নেতা বিরাট। দশ ওভার শেষে যখন স্কোর বোর্ডে মোটে ৭৫ রান, তখন ব্যাট হাতে একাই গড় রক্ষা করলেন নেতা। রাসেল, কুলদীপ, জনসনদের বিরুদ্ধে একাই লড়ে গেলেন শেষ পর্যন্ত। তাঁর অপরাজিত ৬৮ রানের ইনিংসেই পায়ের নিচে লড়াইয়ের মাটি খুঁজে পেল বেঙ্গালুরু। দুর্দান্ত একটা ক্যাচ নিয়ে ক্যাপ্টেন কার্তিককেও প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখালেন সেই বিরাটই। কিন্তু ক্রিকেট যে একার খেলা নয়। তাই অধিনায়ক একা ভাল খেলেও ফিল্ডারদের বদান্যতায় হারতে হল। কলকাতায় হারের বদলা আর নেওয়া হল বেঙ্গালুরুর। আর ক্রিকেট যে টিমগেম, আরও একবার সেটাই বুঝিয়ে দিল কার্তিক অ্যান্ড কোং। পাঞ্জাব ও দিল্লির হারের স্মৃতি অতীত করে আরও দুটি পয়েন্ট ঘরে তুলে প্লে-অফের রাস্তা চওড়া করল নাইটবাহিনী।

[বান্ধবীর সঙ্গে বাগদান সারলেন রোনাল্ডো? জর্জিনার ছবি ঘিরে শুরু জল্পনা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.