সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপিএল জন্ম দেয় কত নতুন তারকার। হাসি ফোটে সমর্থকদের মুখে। সন্তানের কীর্তিতে গর্বে ফুলে ওঠে বাবা-মায়ের বুক। কিন্তু আক্ষরিক অর্থেই যদি ছেলের খেলা দেখলেই শুধু হাসি ফোটে বাবার মুখে। কঠিন রোগে আক্রান্ত বাবা যদি ছেলের ব্যাট ঝড় দেখে মুক্তমনে হেসে ওঠেন। আইপিএল সেই কাহিনিগুলোরও জন্ম দেয়। তার জন্য পাঞ্জাব কিংসের প্রভসিমরন সিংয়ের গল্প শোনা যাক।
লখনউয়ের বিরুদ্ধে ৪৮ বলে ৯১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছেন পাঞ্জাব ব্যাটার। তাতে কিছুটা অখুশি তাঁর বাবা সর্দার সুরজিৎ সিং। কেন ছেলে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করল? বাবা-মায়েরা তো এরকমই হয়। ছেলে আরও ভালো করুক, সেটাই দেখতে চান তাঁরা। কিন্তু সুরজিৎ সিংয়ের পরিস্থিতি কিছুটা অন্যরকম। সপ্তাহে তিনদিন তাঁর ডায়ালিসিস চলে। আর সেই প্রবল কষ্টের মধ্যে একটা জিনিসই তাঁর মুখে হাসি ফোটায়। সেটা হল ছেলে প্রভসিমরনকে ব্যাট করতে দেখা।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে পাঞ্জাব ব্যাটারের জেঠু অর্থাৎ সুরজিৎ সিংয়ের দাদা বলেন, “শুধু একটা বিষয়ই ভাইয়ের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলে। আসলে ওর সপ্তাহে তিনবার ডায়ালিসিস হয়। সেই কষ্টটা চোখে দেখা যায় না। ডাক্তার এলে আমি বাড়ির বাইরে চলে যাই। প্রত্যেকদিন ঈশ্বরকে জিজ্ঞেস করি, কেন আমার ভাইয়ের সঙ্গে এরকম হল?” এই সৎবিন্দরপাল সিংয়ের হাতেই প্রভসিমরনের ক্রিকেটের হাতেখড়ি।
সাধারণত পাটিয়ালার বাড়িতে বসেই গোটা পরিবার একসঙ্গে খেলা দেখে। সৎবিন্দরপাল আরও বলছেন, “পাঞ্জাবের ম্যাচ থাকলে, আমি ভাইকে টিভির ঘরে নিয়ে আসি। যতবার সিম্মুকে (প্রভসিমরনের ডাকনাম) ক্যামেরায় দেখায়, ততবার ও হেসে ওঠে। যদি সিম্মু রান করে, তখন ওর আনন্দ দেখে কে? ওই মুহূর্তে ভুলে যায়, ওর শরীরে কত কষ্ট। আবার সিম্মু ভুল করলে চিৎকার করে ওঠে, দেখে খেল’।” সোমবার যেমন ‘বকা’ খেলেন প্রভসিমরন। ভিডিও কলে জিজ্ঞেস করছিলেন, কেন এভাবে উইকেট ছুড়ে এল? সেই কথাগুলো বলতেও কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু তাতেও ছেলেকে ‘শাসন’ করতে ভোলেননি।
সর্বশেষ খবর
-
নেপালের বন্যায় ভেসে এল ব্যাঙ্ক লকার! ৯২ লক্ষ টাকা লুট করে ‘শ্রীঘরে’ ২৯ জন
-
‘আমার দেওয়া কালীঠাকুর রোজ পুজো করতেন’, প্রয়াত আশিসের বাড়ি গিয়ে স্মৃতিচারণা মুখ্যমন্ত্রীর
-
প্রয়োজন ছিল অনেক টাকার! আয়ুষ্মান কার্ডে ডুয়ার্সের কৃষকের নিখরচায় অস্ত্রোপচার
-
সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব, বাড়িভাড়ার টাকায় দিন গুজরান, এবার বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা সুভাষ চন্দ্রর!
-
কুলপিতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা-বন্দুকের পাহাড়! অশান্তির ছক?