ছয় মারার জন্যই বিখ্যাত প্রিয়াংশ আর্য (Priyansh Arya)। তবে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র একটা ছক্কাই হাঁকাতে পেরেছেন পাঞ্জাব কিংসের তারকা। কিন্তু তার জেরে আহত হলেন এক বৃদ্ধ। প্রিয়াংশর হাঁকানো ছক্কা স্টেডিয়ামে এক বৃদ্ধ দর্শকের মুখে এসে লাগে। মুহূর্তে গলগল করে রক্ত বেরোতে থাকে।
এই বিষয়ে আরও খবর
পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় পেয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব তোলে ২২২ রান। তার মধ্যে প্রিয়াংশ ১১ বলে করেন ২৯ রান। মারেন ৫টা চার ও একটি ছক্কা। নান্দ্রে বার্গারের বলে ওই একটা ছক্কাতেই বিপদ। মুল্লানপুরের স্টেডিয়াম এমনিতে ছোট। প্রিয়াংশের ছক্কা সোজা দর্শকাসনে গিয়ে পড়ে।
সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিওয় দেখা যায়, এক বৃদ্ধ দর্শকের মুখ ফেটে গলগল করে রক্ত পড়ছে। তাঁর সাদা পোশাকে রক্তের দাগ দেখা যায়। পাশের দর্শকরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শুশ্রূষায় এগিয়ে আসেন। ক্ষত মুছিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, তাঁকে কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
Priyansh Arya six badly injured a man’s head in stands. pic.twitter.com/csNqEadB92
— Selfless⁴⁵ (@SelflessCricket) April 28, 2026
প্রিয়াংশের ২৯ ছাড়াও প্রভসিমরন সিং ৫৯ ও মার্কাস স্টয়নিস ৬২ রান করেন। জবাবে ৪ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। রীতিমতো ঝড় দিয়ে শুরু করে ‘জয়-সূর্য’ জুটি। যশস্বী জয়সওয়াল ২৭ বলে ৫১ রান করেন। বৈভবের তাণ্ডব এদিনও বজায় ছিল। ১৬ বলে ৪৩ রান করে। যার মধ্যে ছিল ৩টি চার ও ৫টি ছক্কা। আইপিএল কেরিয়ারে ২৯০ বলে খেলে ছক্কা হাঁকিয়েছে ৬১টি। অর্থাৎ প্রতি ৪.৭৫ বলে একটি করে ছয়। আর এবারের আইপিএলে ৪০০ রান করে ফেলল। তাও মাত্র ১৬৭ বল খেলে। যা আইপিএলের ইতিহাসে এক মরশুমে দ্রুততম ৪০০ রান। এছাড়া ডোনোভান ফেরেরার ২৬ বলে ৫২ রানে ম্যাচ জেতে রাজস্থান। থামল পাঞ্জাবের অপরাজিত দৌড়।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ভোরবেলা মোদিকে ফোন করতে চান ট্রাম্প! ‘বন্ধুরা এরকমই’, মন্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
-
এসআইআর ইস্যুতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ইন্ডিয়ার, সই করল ‘দলছুট’ আপ-ডিএমকেও
-
প্রেমের টানে ধর্মান্তর, দাড়ি কেটে ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন উত্তরপ্রদেশের যুবক, গ্রেপ্তার প্রেমিকা
-
‘সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব’, ডিম ছোড়া বন্ধে রাজ্যকে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ আদালতের
-
আরবানায় থাকার যোগ্যতা থেকে ফুটপাথের মেয়েকে অসম্মান, রচনার ‘কুবচনে’ ফুঁসছেন ঋদ্ধি- ঋত্বিক-শ্রীলেখারা



