KL Rahul

দুই ইনিংসেই রাহুলের রোশনাই, উত্তরাখণ্ডের স্বপ্ন অধরা রেখে ১১ বছর পর রনজি ফাইনালে কর্নাটক

আবারও কর্নাটকের সামনে এই ট্রফি জয়ের হাতছানি। ২৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হবে প্রথমবার ফাইনালে ওঠা জম্মু ও কাশ্মীরের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৮:৩৫

options
link
দুই ইনিংসেই রাহুলের রোশনাই, উত্তরাখণ্ডের স্বপ্ন অধরা রেখে ১১ বছর পর রনজি ফাইনালে কর্নাটক

২০১৪-১৫ মরশুমে শেষবার রনজি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। আবারও কর্নাটকের সামনে এই ট্রফি জয়ের হাতছানি। কেএল রাহুল এবং দেবদত্ত পাড়িক্কলের সৌজন্যে ১১ বছর পর আবার ফাইনালে উঠেছে তারা। উত্তরাখণ্ডের স্বপ্ন অধরা রেখে ২৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হবে প্রথমবার ফাইনালে ওঠা জম্মু ও কাশ্মীরের।

Advertisement

প্রথম ইনিংসে রাহুল করেছিলেন ১৪১ রান। ২০১১ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১টি চার এবং ৫টি ছক্কা দিয়ে। অন্যদিকে, ২৯ চার ও তিন ছক্কায় সাজানো পাড়িক্কলের নামের পাশে ছিল ২৩২ রানের দুরন্ত ইনিংস। সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন স্মরণ রবিচন্দ্রনও (১৩৫)। করুণ নায়ারের সংগ্রহ ৬০ রান। সব মিলিয়ে প্রথম ইনিংসে কর্নাটক করে ৭৩৬ রানের পাহাড়। জবাবে মাত্র ২৩৩ রানে গুটিয়ে যায় উত্তরাখণ্ড।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

৫০৩ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসেও সাবলীল ছিলেন রাহুল। তবে এই ইনিংসে তিনি ওপেন নামেননি। ৩ পয়েন্ট পেয়ে ফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত ধরে নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট ময়াঙ্ক আগরওয়ালের সঙ্গে ওপেনে নামায় ক্রুতিক কৃষ্ণকে। তিনি অবশ্য নিরাশ করেননি। ৫২ রান করে টিম ম্যানেজমেন্টের ভরসার মর্যাদা দেন। মিডল অর্ডারে নেমে ফের সেঞ্চুরি হাঁকান স্মরণ (১২৭)। রাহুল অপরাজিত থাকেন ৮৬ রানে। দু’টি ইনিংস মিলিয়ে ২২৭ রান করেছেন রাহুল। ডবল সেঞ্চুরি হাঁকানো পাড়িক্কল দ্বিতীয় ইনিংসে নামেননি। শেষ পর্যন্ত ৩২৩ রানে থামে কর্নাটক।

Advertisement

৮২৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করে একদিনের মধ্যে উত্তরাখণ্ড জিতে যাবে, এমনটা আশা করাও ভুল। জবাবে উত্তরাখণ্ড থামে ৬ উইকেটে ২৬০ রানে। এই অবস্থায় ম্যাচ ড্র হয়। প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে রনজি ফাইনালে ওঠে কর্নাটক। অন্যদিকে, বাংলাকে হারিয়ে ৬৭ বছরে প্রথমবার ফাইনালে উঠেছে জম্মু-কাশ্মীর। ১৯৫৯ সালে রনজিতে অভিষেক ঘটেছিল তাদের। ফাইনালে ‘কাঁটো টা টক্কর’ দেখার অপেক্ষায় সমর্থকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.