PCB

এবার তোলাবাজির অভিযোগ নকভির বিরুদ্ধে! পাক বোর্ডের অদ্ভুত নীতিতে অথৈ জলে ক্রিকেটাররা

বিশ্বের অধিকাংশ বোর্ডই কমবেশি একই নীতি অনুসরণ করে। কিন্তু পিসিবির দাবি করা অর্থের পরিমাণকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকেরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৯:৫৭

options
link
এবার তোলাবাজির অভিযোগ নকভির বিরুদ্ধে! পাক বোর্ডের অদ্ভুত নীতিতে অথৈ জলে ক্রিকেটাররা
মহসিন নকভি। ফাইল ছবি।

আইপিএলের মতো আমেরিকার মেজর লিগ ক্রিকেট (এমএলসি)-এও ভবিষ্যতে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলার পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে এর নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক কারণ নয়, বরং পিসিবি-র আচরণই এর প্রধান কারণ। এমনকী পাক বোর্ডের অদ্ভুত নীতিতে অথৈ জলে পড়েছেন সেদেশের ক্রিকেটাররা।  

Advertisement

সরকারিভাবে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু এমএলসির একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ভবিষ্যতে তাদের দলে পাকিস্তানের ক্রিকেটার না নেওয়ার কথা ভাবছে। অভিযোগ, এমএলসিতে খেলার জন্য অনাপত্তি পত্র দিতে ক্রিকেটারপিছু ২৫ হাজার মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা) দাবি করছে মহসিন নকভিরা। পাকিস্তানের একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে। যদিও এই অঙ্ক নিয়ে পিসিবি বা এমএলসির কোনও পক্ষই কিছু জানায়নি।

Advertisement

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ক্রিকেটার বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে চাইলে তাঁর দেশের ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে এনওসি নিতে হয়। এমএলসিতে অংশ নেওয়া পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও সেই নিয়মই প্রযোজ্য। অভিযোগ, এই নিয়মের সুযোগ নিয়েই অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে পিসিবি। বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে সানফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নস। দলের হয়ে খেলার কথা পাকিস্তানের পেসার হ্যারিস রউফের। কিন্তু এনওসি-র জন্য পিসিবির বিপুল আর্থিক দাবি ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। দলের এক কর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এটি কার্যত ‘তোলাবাজি’র শামিল। কারণ, এত টাকা দেওয়ার পরও পুরো মরশুমে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারকে পাওয়া যাবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। জাতীয় দলের প্রয়োজনের কথা বলে যে কোনও সময় পিসিবি এনওসি প্রত্যাহার করতে পারে।

Advertisement

বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে নির্দিষ্ট অর্থ দেওয়া নতুন বিষয় নয়। যেমন, আইপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের চুক্তিমূল্যের ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট ক্রিকেট বোর্ডকে দেয় বিসিসিআই। বিশ্বের অধিকাংশ বোর্ডই কমবেশি একই নীতি অনুসরণ করে। কিন্তু পিসিবির দাবি করা অর্থের পরিমাণকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন এমএলসির ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকেরা। ফলে ভবিষ্যতে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নিয়ে দল গঠনের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে এমএলসির একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের জন্য বিশ্বের অন্যতম টি-টোয়েন্টি লিগের দরজা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.