Sachin Tendulkar

কোহলিই এগিয়ে, পরিসংখ্যানে শচীনের মহত্ত্ব মেনেও নিজের অবস্থানে অনড় ডিভিলিয়ার্স

একই সঙ্গে সাফাইয়ের সুরে ডিভিলিয়ার্স বলছেন, “ভুলে গেলে চলবে না এটা নিতান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১১:২২

options
link
কোহলিই এগিয়ে, পরিসংখ্যানে শচীনের মহত্ত্ব মেনেও নিজের অবস্থানে অনড় ডিভিলিয়ার্স
ফাইল ছবি।

শচীন তেণ্ডুলকর এবং বিরাট কোহলির মধ্যে বিরাটকে এগিয়ে রেখে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। বহু সমালোচনাও শুনতে হয়েছে। তবে সেসব সমালোচনায় বিশেষ বিচলিত নন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ব্যাটার এবি ডিভিলয়ার্স। তিনি মেনে নিচ্ছেন, হয়তো পরিসংখ্যানের নিরিখে শচীন বিরাটের চেয়ে এগিয়ে। কিন্তু আগামী প্রজন্মের পথ প্রদর্শক হিসাবে তিনি এগিয়ে রাখেন বিরাটকেই। তবে একই সঙ্গে সাফাইয়ের সুরে ডিভিলিয়ার্স বলছেন, “ভুলে গেলে চলবে না এটা নিতান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত।”

Advertisement

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বিরাট এবং তেণ্ডুলকরের তুলনামূলক একটি আলোচনার ভিডিও পোস্ট করেন ডিভিলিয়ার্স। সেখানে বিদেশের মাটিতে ভারতীয় দলের মানসিকতায় বদল আনার ক্ষেত্রে শচীনের চেয়ে কোহলিকে এগিয়ে রেখেছেন এবি। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন তারকার মতে, বিদেশে গিয়ে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করার মানসিকতা ভারতীয় ক্রিকেটে অনেকটাই বদলে দিয়েছেন কোহলি। তাঁর সেই আগ্রাসী মনোভাবই পরের প্রজন্মের ব্যাটারদেরও প্রভাবিত করেছে। শচীন অবশ্যই উপমহাদেশের ব্যাটারদের পথিকৃৎ। কিন্তু বিরাট তাঁর ব্যাটন আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।

Advertisement

এবি বলছেন, “আমার মনে হয় আমার মন্তব্যে কিছুটা বিভ্রান্ত হয়েছেন অনেকে। ভুলে গেলে চলবে না এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। আমি কাউকেই খারাপ বলছি না। আমি ব্যাপারটা যেভাবে দেখি, সেটাই বলতে চেয়েছি। শচীন প্রথম ব্যাটার যে ভারতীয় ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বিরাট দেখিয়েছে খেলাটার অন্য আরও একটা দিক আছে। ও প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করা শিখিয়েছে।”

Advertisement

যদিও শুধু টেস্টের হিসাব দেখলে শচীন অনেকটাই এগিয়ে। তিনি ২০০টি টেস্টে ১৫,৯২১ রান করেছেন। ২০১৩ সালে অবসর নেন লিটল মাস্টার। অন্যদিকে, বিরাট কোহলি ১২৩টি টেস্টে ৯,২৩০ রান করে ২০২৫ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। বিদেশের মাটিতে টেস্টের পরিসংখ্যানেও শচীন কোহলির চেয়ে এগিয়েই। তবে ডিভিলিয়ার্সের সাফ কথা, “আমরা হয়তো পরিসংখ্যান দেখে বলতেই পারি বিরাট বিদেশে এমন কিছু ভালো খেলেনি। কিন্তু আমার মনে হয় ও তারপরও সবসময় আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলত। এবং বহু তরুণের অনুপ্রেরণা হিসাবে উঠে এসেছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.