রাইট

বয়স ৮৫, কুড়ি লক্ষ ম্যাচ খেলে অবসর নিচ্ছেন এই ফাস্ট বোলার

জেনে নিন এই ক্রিকেটারের খুঁটিনাটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০১৯, ১৯:১৭

options
link
বয়স ৮৫, কুড়ি লক্ষ ম্যাচ খেলে অবসর নিচ্ছেন এই ফাস্ট বোলার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিকেটারদের অবসরের বয়স কত হয় বলুন তো? ৩৭ থেকে ৩৮ বছর। মেরেকেটে ৪০ বছর। দু’একজন ব্যতিক্রমী ক্রিকেটার আছেন যাঁরা চল্লিশের পরেও খেলা চালিয়ে যান। কিন্তু, এমন কোনও ক্রিকেটারের কথা জানা আছে, যিনি ৮৫ বছর বয়সেও খেলা চালিয়ে যেতে পারেন? আসুন পরিচয় করিয়ে দিই।

Advertisement

Cecil

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রাক্তন ক্রিকেটার হার্শেল গিবসের টুইটে আলিয়া ভাটের ছবি! ব্যাপারটা কী?]

ইনি সিসিল রাইট। বয়স ৮৫ বছর। প্রথম সারির ক্রিকেটে ২০ লক্ষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন তিনি। যাদের সঙ্গে খেলেছেন, তাদের নামের তালিকাটাও দীর্ঘ। জামাইকার জার্সিতে যখন সিসিল রাইটের অভিষেক হয় তখন তাঁর সতীর্থ ছিলেন গ্যারফিল্ড সোবার্স, ওয়েস হলের মতো তারকারা। কয়েক বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজে কাটানোর পর ইংল্যান্ডে গিয়ে কাউন্টিতে কেরিয়ার শুরু করেন। ল্যাংকশায়ারের স্থানীয় ক্লাবে ক্রম্পটনের হয়ে খেলতেন তখন। ইংলিশ লিগের প্রথম ৫ মরশুমে ৫৩৮ উইকেট নেন সিসিল। সেসময় তাঁর গড় ছিল ২৭। অর্থাৎ, ২৭ বল পরপর একটি করে উইকেট দখল করতেন তিনি। এরপর ছোটবড় ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকটি কাউন্টি দলে খেলেন রাইট। তাঁর দাবি, দীর্ঘ ৬০ বছরের কেরিয়ারে তিনি খেলেছেন প্রায় ২০ লক্ষ ম্যাচ। উইকেট দখল করেছেন প্রায় ৭ হাজার। যদিও, এই পরিসংখ্যান নিয়ে সন্দেহ আছে। বৈচিত্রময় কেরিয়ারে রাইটের সতীর্থদের তালিকায় নাম রয়েছে ভিভ রিচার্ডস, জোয়েল গার্নারদের। ৮৫ বছর বয়সেও তিনি আপারমিলের বি দলের হয়ে পেনি লিগে খেলছেন। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর স্প্রিং হেডের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে অবসর নেবেন এই বিস্ময়কর ক্রিকেটার। সেই সঙ্গে ইতি পড়তে চলেছে ৬০ বছর বয়সের এক বৈচিত্রময় ক্রিকেটজীবনের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কেন রোহিতকে বসিয়ে নেওয়া হল হনুমা বিহারীকে? ব্যাখ্যা দিলেন কোহলি]

কিন্তু, এত লম্বা কেরিয়ারের রহস্যটা কী? ৮৫ বছর বয়সেও বোলিং, ব্যাটিং, ফিল্ডিং করছেন কী করে? এর উত্তর নিজেও জানেন না রাইট। তিনি বলছেন, “এই দীর্ঘ কেরিয়ারের রহস্যটা আমিও জানি না। আমি যদি জানতাম আপনাদের নিশ্চয় বলতাম। তবে, আমি যা পাই তাই খাই। আমি বেশিক্ষণ টিভি খুলে বাড়িতে বসে থাকি না। গ্যারেজে গিয়ে সময় কাটাই, হাঁটাচলা করি।মদ্যপান খুব কম করি।খেলেও শুধু বিয়ার” যেভাবেই হোক, ক্রিকেটের মতো শারীরিক কসরতের খেলায় এত বেশি বয়স পর্যন্ত যিনি খেলতে পারেন, তিনি নিঃসন্দেহে প্রশংসার পাত্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.