East Bengal

ইউসেফের জোড়া গোলে চুরমার ডিফেন্স, ওড়িশাবধে লিগ জয়ের পথে আরও এগোল ইস্টবেঙ্গল

প্রত্যেকটা ম্যাচই ফাইনাল। প্রত্যেকটা ম্যাচেই জিততে হবে আইএসএল ট্রফি হাতে তোলার জন্য। কঠিন অঙ্ক মাথায় রেখেই বুধবার খেলতে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১২:৫৯

options
link
ইউসেফের জোড়া গোলে চুরমার ডিফেন্স, ওড়িশাবধে লিগ জয়ের পথে আরও এগোল ইস্টবেঙ্গল
প্রথম গোলের পর উচ্ছ্বাস ইস্টবেঙ্গলের।

ইস্টবেঙ্গল: ৩ (ইউসেফ ২, বিপিন)
ওড়িশা এফসি: ০

Advertisement

মাঠে নেমেই জোড়া গোল করে স্বমহিমায় ইউসেফ এজ্জেজারি। নিজের ১৫০তম ম্যাচে বিপিন সিংয়ের অনবদ্য গোল। সবমিলিয়ে গোয়ার মাটি থেকে তিন পয়েন্ট আর একরাশ আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠ ছাড়ল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। এদিন ওড়িশা এফসিকে হারিয়ে লাল-হলুদ শিবির পৌঁছল পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে। আরও উজ্জ্বল হল ট্রফি জয়ের আশা।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রত্যেকটা ম্যাচই ফাইনাল। প্রত্যেকটা ম্যাচেই জিততে হবে আইএসএল ট্রফি হাতে তোলার জন্য। কঠিন অঙ্ক মাথায় রেখেই বুধবার খেলতে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। এমনিতেই একাধিক সমস্যায় জর্জরিত লাল-হলুদের হেডস্যর অস্কার ব্রুজো। কার্ড সমস্যায় নেই মিগুয়েল ফেরেইরা। চোট সমস্যায় ভোগা আনোয়ার আলিকেও এদিন প্রথম একাদশে রাখতে পারেননি অস্কার। ছিলেন না ইউসেফও। পয়েন্ট টেবিলের একেবারে নিচের দিকে থাকা ওড়িশার বিরুদ্ধে নিজেদের সেরা একাদশ নামায়নি লাল-হলুদ শিবির।

Advertisement

ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই বিপক্ষের বক্সে হানা দিতে থাকেন পিভি বিষ্ণুরা। একের পর এক সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেন নন্দকুমার-জিকসন সিংরা। সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল মিলল মাত্র ১০ মিনিটের মাথাতেই। বাঁদিক থেকে অনবদ্য ক্রস বাড়ালেন বিষ্ণু, নিখুঁত শটে বল গোলের জালে জড়িয়ে দিলেন বিপিন সিং। ম্যাচের শুরুতেই লিড নিয়ে নেওয়ার পর বেশ আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলতে শুরু করেন এডমুন্ডরা। ওড়িশার বক্সে একের পর এক আক্রমণ আছড়ে পড়তে থাকে। কিন্তু গোল খাওয়ার পর ৩৮ মিনিট প্রাণপণে ডিফেন্স করল ওড়িশা। একটাও গোল হজম করেনি তারা।

প্রথমার্ধের খেলা যে মেজাজে শেষ করেছিলেন শৌভিক চক্রবর্তীরা, বিরতির পর সেই ঝাঁজাল ভঙ্গিতেই ফের মাঠে নামল ইস্টবেঙ্গল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে খানিক লড়াই করেছে ওড়িশা। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরির চেষ্টা করছিলেন দেলগাডোরা। তবে সেটার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ, ইস্টবেঙ্গলের গোল রুখে দিতে পুরোমাত্রায় সফল হয় ওড়িশা। ৬২ মিনিটে মাঠে নামলেন ইউসেফ এজ্জেজারি। আরও জোর বাড়ল লাল-হলুদ আক্রমণে। মাঠে নামার পাঁচ মিনিটের মধ্যে গোল করলেন তিনি।

ওই একটা গোলেই ওড়িশা রক্ষণের যাবতীয় মনোবল যেন ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল। ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটে আক্রমণের ঝাঁজ আরও জোরাল করে জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে নিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৮৩ মিনিটে ইউসেফের পা থেকে এল তাঁর দ্বিতীয় গোল। গোলপার্থক্যে অন্যদের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ওড়িশার বিরুদ্ধে জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা আরও উজ্জ্বল হল অস্কারের দলে।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন