প্রসূন বিশ্বাস: মহিলা ফুটবলে ভারতসেরা হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ট্রফি নিশ্চিত করেছে মশাল গার্লস। তবে এই সাফল্যকে বাংলার জয় বলেই মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। তাই তিনি চান, বাংলার হয়ে এই ভারতসেরা ট্রফি গ্রহণ করুন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এই মর্মে ইতিমধ্যেই চিঠি দেওয়া হয়েছে ফেডারেশনে।
গত শুক্রবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসি’কে হারিয়ে IWL চ্যাম্পিয়ন হয় লাল-হলুদের মহিলা বাহিনী। ম্যাচের একমাত্র গোল সৌম্যা গুগুলোথের। IWL চ্যাম্পিয়ন হয়ে এএফসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ছাড়পত্রও পেয়েছে লাল-হলুদের মহিলা ব্রিগেড। তবে এখনও IWL-এর শেষ ম্যাচ বাকি রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল মাঠে গোকুলামের বিরুদ্ধে নামবেন অঞ্জু তামাংরা। ওই ম্যাচের পরেই সম্ভবত লাল-হলুদ ব্রিগেডের হাতে চ্যাম্পিয়নের ট্রফি তুলে দেওয়া হবে। ওই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী থাকতে পারেন, এই মর্মে ইতিমধ্যেই ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল।
তবে কেবল অনুষ্ঠানে হাজির থাকাই নয়, ইস্টবেঙ্গলের হয়ে চ্যাম্পিয়নদের ট্রফি গ্রহণ করুন ক্রীড়ামন্ত্রী-এমনটাই চাইছে লাল-হলুদ শিবির। ক্লাবের কর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, “মেয়েরা যেন ফুটবল খেলে আরও এগিয়ে যায়, সেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা যেন মেয়েদের দল গড়তে পারি সেদিকেও নজর রেখেছিলেন। আমরা মনে করি, ইস্টবেঙ্গলের এই সাফল্য আসলে বাংলার জয়। যেহেতু বাংলার জয়, তাই বাংলার প্রতিনিধি হিসাবে এই ট্রফি গ্রহণ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি ক্রীড়ামন্ত্রীকে। এই মর্মে ইতিমধ্যেই চিঠি দেওয়া হয়েছে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনে।” উল্লেখ্য, মঙ্গলবার পয়লা বৈশাখের বারপুজোয় ইস্টবেঙ্গলে হাজির ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী। ইস্টবেঙ্গলের আজীবন সদস্যপদও রয়েছে তাঁর। এবার ক্রীড়ামন্ত্রীর হাতে ট্রফি তুলে দিয়ে সম্মান দিতে চাইছে লাল-হলুদ শিবির।
সর্বশেষ খবর
-
‘হকার’ না ‘ভোটার’, আমরা কোন চোখে মানুষগুলিকে দেখেছি?
-
‘আলোচনা ব্যর্থ হলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’, আমেরিকার বিরুদ্ধে ‘আল্লার উপহার’ হরমুজই অস্ত্র ইরানের!
-
জার্সি বেচে সন্তানকে বাঁচান প্যারাগুয়ের নায়ক গিল, ‘আকাশের ঠিকানায়’ দাদুকে চুমু গোলদাতা এনসিসোর
-
মমতা অতীত, জোটের প্রশ্নই নেই! বিজেপির বাংলায় কংগ্রেস কর্মীদের লড়াইয়ের ডাক বেণুগোপালের
-
‘মা-কাকিমা ছাড়া রোল পাবে না’, এবার রচনাকে পালটা কল্যাণের, প্রশ্ন তুললেন শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও