সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেলার দুনিয়া নাকি বাকি দুনিয়ার থেকে আলাদা৷ সে দুনিয়ার অধিবাসীরা বিশ্বাস করেন স্পোর্টসম্যান স্পিরিটে৷ কূটনৈতিক সম্পর্কের ছায়া সেখানে তেমন পড়ে না৷ এক খেলোয়াড় আহত হলে সব বিরোধিতা ভুলে এগিয়ে আসেন আর একজন৷ এমন সংহতির খেলার দুনিয়াও কখনও ফালাফালা হয়ে যায় রাজনীতিতে৷ সেরকমই এক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল রিও৷
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ইজরায়েল ও মিশরের বিরোধিতা সুবিদিত৷ কিন্তু তার ছায়া যে ওলিম্পিকের মাঠে পড়বে কে জানত৷ যা কল্পনা করা যায়নি তাই করলেন মিশরের জুডোকা ইসলাম এল শেহাবি৷ ইজরায়েলের জুডোকা ওর সেসন দু’বার তাঁর দিকে করমর্দনের জন্য হাত বাড়ান৷ কিন্তু উপেক্ষা করেন শেহাবি৷ তাঁর এই ব্যবহার ভাল চোখে দেখেনি ওলিম্পিক সংস্থা৷ আন্তর্জাতিক ওলিম্পিক কমিটি এরপর ওই জুডোকাকে বরখাস্ত করে৷ সেইমতো দেশে ফিরতে হয় তাঁকে৷
এই প্রথম অবশ্য এ ধরনের ঘটনা ঘটল না৷ আরব মুলুকের অন্যান্য দেশের খেলোয়াড়রাও ইজরায়েলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হয় খেলতে চাননি, নয় উপেক্ষা করেছেন৷ এবারও তার ব্যতিক্রম নেই৷ তবে ওলিম্পিক থেকে চলে গিয়েও কিন্তু কোনও আক্ষেপ নেই ইসলামের৷ তিনি জানাচ্ছেন, “করমর্দন যে করতেই হবে তা কিন্তু কোথাও লেখা নেই৷ বন্ধুদের মধ্যে এটা হয়, কিন্তু ও তো আমার বন্ধু নয়৷ ব্যক্তিগত কারণেই আমি করমর্দন করতে পারিনি, বিশেষত সারা দুনিয়ার সামনে তো নয়ই৷”
রাজনীতির কালো ছায়া যে খেলার আলোর দুনিয়াকেও ঢেকে দেয়, এ ঘটনা যেন তারই প্রমাণ হয়ে থাকল৷
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি চাকরির প্রস্তুতিতে চার দশক, সমাবর্তনের মঞ্চে উজ্জ্বল রাইসের কৃতীরা
-
৫ জুনেই ৫৮ লক্ষ উদ্ধার, তারপরও কেন এফআইআর হয়নি? রাম মন্দিরের টাকা চুরিতে প্রশ্নের মুখে ট্রাস্ট
-
বীরের ঠোঁট কামড়ে রক্তারক্তি করেছেন কঙ্গনা! ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন যুগলে
-
‘দেরি হলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না’, রামমন্দিরে চুরির তদন্ত নিয়ে বলল সুপ্রিম কোর্ট
-
‘এটাই শেষ বক্তব্য’, হুমায়ুনের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে বিধানসভায় ‘সবক’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর