স্টাফ রিপোর্টার: ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন ভেঙেছিল আগেই। এবার শেষ হয়েছে ২০২৭ এশিয়ান কাপের আশা। গত দেড় বছরে শুধু ব্যর্থতাই সঙ্গী হয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের। আর হতাশা বেড়েছে সমর্থকদের। ভারতীয় ফুটবলের এমন অবস্থার জন্য ফেডারেশনকে দায়ী করছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া।
গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়ার অ্যাকাডেমির উদ্যোগে হওয়া দাবা প্রতিযোগিতার সূচনা করতে শুক্রবার টাউন হলে আসেন বাইচুং। সেখানে এই কিংবদন্তি ফুটবলার বলেন, “দুঃখের বিষয়, ক্ষতিটা ভারতীয় ফুটবল ও তার সমর্থকদের হচ্ছে। কল্যাণ চৌবের হচ্ছে না। শেষ তিনটে বছর জাতীয় দলের পারফরম্যান্স সমর্থকদের হতাশ কয়েছে। সঙ্গে ফেডারেশনের কাজকর্ম নিয়ে বারবার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তবে শীঘ্রই ফেডারেশনের পালাবদল হবে বলে মনে করছেন তিনি। বাইচুংয়ের কথায়, “এই তিন বছরে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। মাঠে এবং মাঠের বাইরে। তবে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে নতুন সংবিধান চালু হয়েছে, সেটাই আশার কথা। হয়তো কয়েক মাস বা এক বছরে নতুন পরিচালকরা আসবেন। তাঁদের হাত ধরে ফের ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি হবে।” সঙ্গে আপাতত তিনি জাতীয় কোচ খালিদ জামিলকে সময় দেওয়ার পক্ষে। বলেন, “খালিদ আরও একটু সময় কাজ করুক। কঠিন সময়ে দলের দায়িত্ব নিয়েছে। শেষ কয়েকটা ম্যাচে ওর বিশেষ কিছু বদলের সুযোগও ছিল না। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়।”
এবছর আইএসএল দেরি করে শুরু হওয়ার জন্য শুধু ফেডারেশনকে দায়ী করছেন না বাইচুং। তবে শীর্ষ আদালত বা ফিফা আগে পদক্ষেপ করলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হত না বলে ধারণা তাঁর। “আইএসএল শুরুতে দেরির দায় শুধু ফেডারেশনের নয়। বিভিন্ন কারণে পরিস্থিতি প্রতিকূল হয়েছে। তবে শীর্ষ আদালতের রায় অনেক পরে এসেছে। আমি তিন বছর ধরে সংবিধান চালুর জন্য অপেক্ষা করেছি। ফলে সংবিধান চালু নিয়ে রায়টা শীর্ষ আদালত তিন বছর আগে দিলে হয়তো পরিস্থিতি অন্য হত”, বলছিলেন বাইচুং।
সর্বশেষ খবর
-
ডায়েট ফ্রেন্ডলি গাজরের হালুয়া! ‘সোনার পাথরবাটি’ নয়, ৩টি বিষয় মাথায় রাখলে বানানো যায় সহজেই
-
তিব্বতে ফের হ্রদ ভাঙলে ভাসবে বিহার! নদীগুলিতে চলছে কড়া নজরদারি, বাড়ছে আতঙ্ক
-
মাঝ সমুদ্রে ট্রলারডুবি, ৯ মৎস্যজীবীর পরিবারকে হোমগার্ডের নিয়োগপত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
-
বিএসএস নাম প্রত্যাহার করায় কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে মোহনবাগান, এক পয়েন্ট দরকার ইস্টবেঙ্গলের
-
মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরেই পদক্ষেপ, মুছল যাদবপুর ক্যাম্পাসের ‘দেশবিরোধী’ দেওয়াল লিখন