সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইডব্লুএলে ছুটছে ইস্টবেঙ্গলের জয়রথ। টানা দুই ম্যাচ জিতল মশাল গার্লস। প্রথম ম্যাচে সেতু এফসি’র বিরুদ্ধে জয়ের পর এবার অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল হারাল গারওয়াল ইউনাইটেড এফসি’কে। সাফ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে কলকাতায় ফেরার তিন দিনের মধ্যেই অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল আইডব্লিউএলে নেমে পড়েছিল। খেলায় ক্লান্তির ছাপ আছে, অনেক গোলও মিস করেছেন ফাজিলা। তবে ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিততে অসুবিধা হল না লাল-হলুদ বাহিনীর।
শনিবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দাপট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। বিশেষ করে বাঁদিক থেকে ক্রমশ আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছিলেন সুলঞ্জনা রাউল, রেস্টি নানজিরিরা। গোল পেতেও খুব একটা দেরি হল না। সেটা অবশ্য এল ডান প্রান্তিক আক্রমণে। সৌম্যা গুগুলোথের ভাসানো ক্রস থেকে গোল করে যান সুলঞ্জনা। তিনি যে কখন বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েছেন, তা গারওয়ালের ডিফেন্ডাররা টেরই পাননি।
তারপর অবশ্য একাধিক গোল মিস করলেন ফাজিলারা। এমনকী একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিও কাজে লাগাতে পারেননি উগান্ডার ফুটবলাররা। একই অবস্থা রেস্টিরও। প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে জাত চেনালেন ফাজিলা। এবারও নেপথ্যের কারিগর সৌম্যা। ৬২ মিনিটে কর্নার থেকে ভাসানো বল হেডে নামিয়ে দেন তিনি। ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় ছিলেন ফাজিলা। কিন্তু ১০ মিনিট পরই বিপদের আশঙ্কা নেমে এল লাল-হলুদ শিবিরে। গারওয়ালের একটি নিরীহ শট বুঝেই উঠতে পারেননি ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপার পান্থই। সেখান থেকে গোল হজম করে ইস্টবেঙ্গল। তবে তারপর আর বিপদ বাড়েনি। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতল মশাল গার্লস।
সাফ কাপে টানা পাঁচটি ম্যাচ গোল হজম করেনি ইস্টবেঙ্গল। আইডব্লুএলের প্রথম ম্যাচেও ক্লিনশিট ছিল। অর্থাৎ ৬ ম্যাচ পর লাল-হলুদের জালে বল জড়াল। গোলকিপারের ভুল যেমন দায়ী, তেমনই স্পষ্টতই ক্লান্তি একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শেষের দিকে কার্যত দাঁড়িয়েই পড়েছিল রক্ষণভাগ। সেটা কিছুটা চিন্তায় রাখবে অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজকে।
সর্বশেষ খবর
-
যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলায় বসবাস করছে তারা সবাই ‘বাঙালি’
-
‘নেতানিয়াহুকে জাহান্নামে পাঠাব’, নিষেধাজ্ঞায় আমেরিকার উপর হামলার হুমকি ইরানের
-
জলরোষে ২০ বছর আগে মৃত্যু ৫ যুবকের, বিধ্বস্ত নেপাল ফেরাল পুরুলিয়ার ডাউরি খালের স্মৃতি
-
পুজোয় টইটইয়ের প্ল্যান? কলকাতার কাছেপিঠেই রয়েছে অপরূপ বিস্ময়, রইল ৫ গন্তব্যের খোঁজ
-
একাধিক তথ্যে অসঙ্গতি! সরল প্রকাশক, ভারতে প্রকাশিত হবে না সোনিয়ার ‘স্মৃতিকথা’?