East Bengal

ডার্বির পরই কাদাপাড়ায় মার খাচ্ছেন ভক্তরা! ক্রীড়ামন্ত্রীকে চিঠি ইস্টবেঙ্গলের

ডার্বিকে কেন্দ্র করে কাদাপাড়ার ঝামেলা এই প্রথম নয়। ডার্বি শেষে কাদাপাড়া দিয়ে যাওয়ার সময় দু'দলের সমর্থকদের মারপিটে কেউ না কেউ মারাত্মকভাবে আহত হবেনই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৩:২০

options
link
ডার্বির পরই কাদাপাড়ায় মার খাচ্ছেন ভক্তরা! ক্রীড়ামন্ত্রীকে চিঠি ইস্টবেঙ্গলের
ফাইল ছবি।

ডার্বিকে কেন্দ্র করে কাদাপাড়ার ঝামেলা এই প্রথম নয়। ডার্বি শেষে কাদাপাড়া দিয়ে যাওয়ার সময় দু’দলের সমর্থকদের মারপিটে কেউ না কেউ মারাত্মকভাবে আহত হবেনই। আর এটা দিনের পর দিন ধরে চলে আসছে। নিজেদের সমর্থকদের বারবার আহত হতে দেখে বারবার বিভিন্ন জায়গায় তদ্বির করেও করেও কোনও সুরাহা করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। এবার সরাসরি ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ-কে চিঠি দিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।

Advertisement

ক্রীড়ামন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে ক্লাবের পক্ষ থেকে ডুরান্ড ফাইনালের ডার্বির পর সমর্থকদের আহত হওয়ার বিভিন্ন ছবি পাঠানো হয়েছে। সোমবার ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে এই ইস্যুতে দেখাও করেন লাল-হলুদের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার। পরে বলেন, ‘এভাবে দিনের পর দিন চলতে দেওয়া যায় না। ডার্বির পর আমাদের সমর্থকরা কাদাপাড়া দিয়ে গেলেই মার খাচ্ছেন। এর প্রতিকার করতেই হবে। তারজন্য যতদূর যাওয়ার আমরা যাব।’

Advertisement

কাদাপাড়ার প্রতিকার চেয়ে ক্রীড়ামন্ত্রীকে শুধু চিঠি দেওয়াই নয়। এদিন সকালে ক্লাবের পতাকা উত্তোলনের পর দেবব্রত সরকার বলছিলেন, ‘দু’দলের সমর্থকদের ভাষা প্রয়োগেও কিছুটা লাগাম টানতে হবে। মাঠে যাওয়ার সময় ম্যাডাটোরে বা রাস্তায় যে ভাষায় একদলের সমর্থক অন্য দলের সমর্থকদের গালিগালাজ করেন, তা দেখে ভদ্র পরিবার থেকে বাচ্চাদের কখনও ফুটবল মাঠে পাঠাবে না। সমর্থকদের মাথায় রাখতে হবে, তাঁরা ক্লাবের পরিচয় বহন করছেন। তাঁদের আচরণ, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও মাঠে টেনে আনবে। অনেক মহিলারাও এখন মাঠে আসা শুরু করেছেন। ফলে প্রত্যেকের কথা ভেবেই সমর্থকদের আরও সংযত হওয়া উচিত।’

Advertisement

অতীতে ডার্বির পর বহু সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে কাদাপাড়ায়। সমর্থকরা আহত হয়েছেন। বারবার তাঁরা নিজেদের ক্লাব কর্তৃপক্ষকেও অনুরোধ করেছেন ওই এলাকায় হিংসা বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। রবিবার ডুরান্ড কাপ ফাইনাল শেষেও একইভাবে হিংসা ছড়ায় দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে। তবে গুরুতর ঘটনা সেভাবে চোখে পড়েনি। ফাইনালের পরদিনই বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.