FIFA World Cup 2026

নিরাপত্তার বেষ্টনী টপকে কীভাবে গ্যালারিতে ফকল্যান্ড ব্যানার? নেপথ্যে বিছানার চাদর

সেই ব্যানার তৈরি হল কীভাবে? কেই বা তা নিরাপত্তারক্ষীদের রক্তচক্ষু এড়িয়ে ‘পাচার’ করলেন গ্যালারিতে?

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
নিরাপত্তার বেষ্টনী টপকে কীভাবে গ্যালারিতে ফকল্যান্ড ব্যানার? নেপথ্যে বিছানার চাদর
টিম হোটেলে 'বিতর্কিত' ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনা সাপোর্ট স্টাফ (বাঁদিকে)। ছবি সংগৃহীত।

একটা শ্বেতশুভ্র ব্যানার। তাতে কালো কালিতে লেখা চারটে শব্দ। ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস’। যার বঙ্গানুবাদ: ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার’। মালভিনাস, অর্থাৎ ফকল্যান্ড দ্বীপ। ব্রিটিশ রাজত্বের এই অংশকে বরাবরই নিজেদের বলে মনে করে আর্জেন্টিনা।

Advertisement

শুধু মৌখিক বা কূটনৈতিক দাবিদাওয়ায় সীমাবদ্ধ থাকেনি তারা, রীতিমতো যুদ্ধে নেমেছে ব্রিটিশ সেনার বিরুদ্ধে। ‘অধিকার’ ছিনিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে প্রাণ দিয়েছেন আর্জেন্টাইন সৈনিকরা। ৪৪ বছর আগে তাঁদের আত্মবলিদান ফলপ্রসূ হয়নি আজও। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামঞ্চে, বিশেষত ফুটবলে দু’পক্ষ সম্মুখসমরে নামলে আজও উঠে আসে ফকল্যান্ড যুদ্ধ প্রসঙ্গ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

’৮৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনা স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন, “ফকল্যান্ড যুদ্ধের জবাব দিলাম।” আবার চলতি প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জেতার পর আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের উদযাপনে শামিল হয়েছে উপরে উল্লিখিত সেই ব্যানার। জিওভানি লো সেলসোরা রীতিমতো ফিফার নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ফকল্যান্ডকে নিজেদের বলে দাবি জানিয়েছেন ফের।

কিন্তু সেই ব্যানার তৈরি হল কীভাবে? কেই বা তা নিরাপত্তারক্ষীদের রক্তচক্ষু এড়িয়ে ‘পাচার’ করলেন গ্যালারিতে? জানা যাচ্ছে, বিতর্কিত সেই ব্যানার তৈরি করতে হোটেলের বিছানায় থাকা সাদা চাদর ব্যবহার করেছেন আর্জেন্টিনার কিছু সমর্থক। তাঁরা মাঠে ঢুকে সুযোগ বুঝে চলে আসেন গোলপোস্টের পিছনে। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁদের মাঠ থেকে বের করে দিতে উদ্যত হন।

FIFA-1

সেসময় তাঁরা ব্যানারটা ছুড়ে দেন মাঠে। প্রথমে তা কুড়িয়ে নেন লো সেলসো। পরে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো এবং লিসান্দ্রো মার্টিনেজের সঙ্গে তিনি ওই ব্যানার তুলে ধরেন। পরে দলের তরফে তা নিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ড্রেসিংরুমে। ওই সমর্থকরা ব্যানারটি ফেলে দেওয়া নিয়ে চিন্তায় ছিলেন। কিন্তু আর্জেন্টিনার সাপোর্ট স্টাফ প্যাট্রিসিও অউবার সোশাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন, সেটি দলের সঙ্গেই রয়েছে। যা খবর, ফাইনালের দিন ড্রেসিংরুমে নিয়ে যাওয়া হবে ওই ব্যানার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.