Unity Cup

রক্ষণাত্মক কৌশলেও হল না শেষরক্ষা! ইউনিটি কাপে জামাইকার কাছে হার ভারতের

ফাইনালে ওঠা হল না সন্দেশ ঝিঙ্ঘান, রাহুল ভেকেদের। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচে জিম্বাবোয়ের মুখোমুখি হবে মেন ইন ব্লু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ০৮:৩৬

options
link
রক্ষণাত্মক কৌশলেও হল না শেষরক্ষা! ইউনিটি কাপে জামাইকার কাছে হার ভারতের
ইউনিটি কাপে হার ভারতের। ছবি এআইএফএফ।

২৪ বছর পর ইংল্যান্ডের মাঠে নেমেছিল ভারত। দু’যুগ পর বিলেতভূমে নেমে অভিজ্ঞতা সুখকর হল না খালিদ জামিলের ছেলেদের। ফিফা ক্রমতালিকায় ভারত ১৩৬। জামাইকা ৭১। অর্থাৎ শক্তির বিচারে লড়াইটা যে অসম, সেটা সবারই কমবেশি জানা ছিল। সেটাই দেখা গেল ইউনিটি কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে। শক্তিশালী জামাইকার কাছে ০-২ গোলে পরাজিত হল ভারত। ফলে ফাইনালে ওঠা হল না সন্দেশ ঝিঙ্ঘান, রাহুল ভেকেদের। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণের ম্যাচে জিম্বাবোয়ের মুখোমুখি হবে মেন ইন ব্লু।

Advertisement

ইউনিটি কাপে ভারতীয় দলের জার্সিতেই ছিল এক বিশেষ চমক। কলারের ভেতরে লেখা ছিল ‘বন্দে মাতরম্‌’। ম্যাচে ভারত শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক কৌশল নেয়। প্রথম একাদশে দেখা যায় পাঁচ ডিফেন্ডার। রাহুল ভেকে, রোশন সিং, সন্দেশ ঝিঙ্ঘান, নিখিল পূজারি, আকাশ মিশ্র। এই পাঁচজনের মধ্যে আকাশ কিছুটা এগিয়ে খেলছিলেন। তবুও রক্ষণ ভেদ হতে সময় লাগেনি। মাত্র ৮ মিনিটেই কোর্টনি ক্লার্ক দুর্দান্ত এক গোল করে জামাইকাকে এগিয়ে দেন।

Advertisement

ঝটিকি পালটা আক্রমণ থেকে দৃষ্টিনন্দন এক গোল করেন ক্লার্ক। নিখুঁত এক থ্রু পাস থেকে জামাইকার আক্রমণ গড়ে ওঠে। বাঁ-দিক থেকে আসা শট প্রথমে ঠেকান গুরপ্রীত সিং সান্ধু। তবে পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে না পারায় ‘রেগে বয়েজ’রা আক্রমণ ধরে রাখে। বক্সের বাঁ-দিকে কিছুটা ফাঁকা জায়গায় থাকা ক্লার্ক একজন ভারতীয় ডিফেন্ডারকে আড়াল করে শট নেন। গুরপ্রীত চেষ্টা করেও তা আটকাতে পারেননি। বল সোজা জালের ডান দিকের উপর কোণে জড়িয়ে যায়। প্রথমার্ধে ভারত তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি।

Advertisement

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণের গতি বাড়ায় ভারত। ৫৩ মিনিটে লালিয়ানজুয়ালা ছা‌ংতে বল জালে জড়ালেও শেষ পর্যন্ত অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। এর ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই আরও একটি ধাক্কা! চোট পেয়ে খোঁড়াতে খোঁড়াতে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন রায়ান উইলিয়ামস। তাঁর চোট নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চিন্তা বাড়বে কোচ খালিদ জামিলের। তবুও হাল ছাড়েনি ভারত। ম্যাচের বয়স তখন ৬৩ মিনিট। প্রথমবার জামাইকা কিছুটা হলেও চাপে পড়ে। এরই মধ্যে ব্লু টাইগার্স অসাধারণ জায়গা থেকে ফ্রি-কিক পায়। যদিও ছাংতের শট ডিফেন্সের দেওয়ালে লাগে। কর্নার পায় ভারত। তবে সমতা ফেরেনি। ৭৮ মিনিটে কাহেইম ডিক্সন গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে ২-০ করেন। সেটাই ছিল জামাইকার জয়সূচক গোল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.