সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একসময় বার্সেলোনায় (Barcelona) একসঙ্গে খেলত ‘এমএসএন’ ত্রয়ী। মেসি, নেইমার আর সুয়ারেজের যুগলবন্দি দাপিয়ে বেরিয়েছিল ইউরোপের ফুটবলে। তার পর তিনজনের পথ আলাদা হয়ে গেলেও ফের এক দলে ফিরেছেন মেসি আর সুয়ারেজ। এবার কি নেইমারও যোগ দেবেন ইন্টার মিয়ামিতে? খোদ মেসির (Lionel Messi) মুখে শোনা গেল সেই প্রশ্নের উত্তর।
ক্লাব কেরিয়ারের শুরু থেকেই বার্সেলোনায় ছিলেন মেসি। নেইমার (Neymar) আসেন ২০১৩-১৪ মরশুমে। পরের বছর কাতালুনিয়ার ক্লাবে যোগ দেন উরুগুয়ের সুয়ারেজ (Suarez)। তৈরি হয় ‘এমএসএন’ (MSN) ত্রয়ী। তাঁদের হাত ধরে ত্রিমুকুটও জেতে বার্সেলোনা। কিন্তু বছর কয়েকের মধ্যেই ভাঙন ধরে। প্রথমে ক্লাব ছাড়েন নেইমার। ২০১৯-২০ মরশুমের পর সুয়ারেজের সঙ্গেও ক্লাবের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। তার পর মেসির মহাপ্রস্থান।
[আরও পড়ুন: ‘আমারও একটা অংশের মৃত্যু ঘটল’, সোনমের খোলা চিঠি ‘প্রিয় ছেত্রীকে’]
বর্তমানে মেসি আর সুয়ারেজ খেলেন আমেরিকার ক্লাব ইন্টার মিয়ামিতে (Inter Miami)। অন্যদিকে নেইমার আছেন সৌদি আরবের আল হিলালে। কিন্তু পরের মরশুমে কি বেকহ্যামের ক্লাবে ফের দেখা যাবে তিনজনকে? সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন মেসি। তাঁর বক্তব্য, “আমরা নিয়মিত কথা বলি। সুয়ারেজকে নিয়ে আমাদের তিনজনের গ্রুপে কথাবার্তা চলে। নেইমার নিখুঁত স্প্যানিশ বলে। তবে মিয়ামিতে ওর আসা সম্ভব কিনা আমি জানি না। এখনই সেটা নিয়ে কথা বলা কঠিন।”
[আরও পড়ুন: সিএবি লিগের পর প্রথম ডিভিশন ওয়ানডে খেতাব চ্যাম্পিয়ন ভবানীপুর, হাতছানি ত্রিমুকুটের]
তবে ফের ‘এমএসএন’ জুটির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না মেসি। তিনি বলেন, “ও সৌদিতে আছে। আমার ধারণা, এখনও ওর চুক্তি শেষ হতে এক বছর বাকি। তার পর কী হবে জানি না। জীবন বহুভাবে বাঁক নিতে পারে। তাই যে কোনও কিছুই ঘটতে পারি। তবে বর্তমানে কোনও সম্ভাবনা নেই।” সেই ‘বাঁক’-এর অপেক্ষায় তাকিয়ে থাকবে বহু ভক্ত।
সর্বশেষ খবর
-
দেবের ‘দাদাগিরি’তে সজল-কুণাল-মদনের সঙ্গে কৌস্তভ-নওশাদ, শতরূপ কোথায়? প্রোমো দেখে প্রশ্ন নেটপাড়ার
-
চলতি মাসেই গ্রেপ্তার! বিজেপি কর্মী অভিজিৎ খুনে আরও ২ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন
-
দিল্লির জল বোর্ডের টেন্ডারে ১.৫২ কোটির দুর্নীতি, ফের গ্রেপ্তার আপ নেতা সত্যেন্দ্র জৈন
-
‘বন্দে মাতরম’-এর আগেই গাওয়া যাবে রাজ্যসঙ্গীত, বড়সড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাজ হাই কোর্টের
-
অন্নপূর্ণার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের