সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিলিয়ান এমবাপে (Kylian Mbappe) ও এমিলিয়ানো মার্টিনেজের (Emi Martinez) মধ্যে সংঘাত নিয়ে জোর চর্চা হয়েছে ফুটবলবিশ্বে।
বিশ্বকাপ ফাইনালের অব্যবহিত পরে হতাশ কিলিয়ান এমবাপের পাশে বসে সান্ত্বনা দিতে দেখা যায় মার্টিনেজকে। তার কিছুক্ষণ পরেই ড্রেসিং রুমে ঢুকে এমবাপেকে কটাক্ষ করেন আর্জেন্টাইন গোলকিপার। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ ফাইনালের বল গড়ানোর আগে থেকেই শুরু হয়েছিল মার্টিনেজ ও এমবাপের মধ্যে কথার লড়াই। তার জের যে সুদূরপ্রসারী হবে, তখন কে জানত।
আর্জেন্টিনায় বিশ্বকাপ নিয়ে ফেরার পর এমবাপে পুতুল হাতে ঘুরতে দেখা যায় মার্টিনেজকে। বিতর্কিত আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ফাইনালের শেষে এমবাপেকে কী বলেছিলেন তিনি? মার্টিনেজ বলেন, ”আমি এমবাপেকে বলেছিলাম উঠে পড়ো, সামনের দিকে তাকাও। মাঠে হতাশ হয়ে পড়ে থাকা ওর মানায় না। গর্ব করার মতো ফুটবল খেলেছিল ফাইনালে। আমাকে চারটে গোল করেছিল এমবাপে। তাহলে হতাশ হয়ে যাঁর মাঠে পড়ে থাকা উচিত ছিল সে আমি। এমবাপে নয়।”
[আরও পড়ুন: ‘আত্মতৃপ্তি, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই বিপর্যয় ডেকে এনেছে’, রোহিতদের একহাত নিলেন শাস্ত্রী]
বেশ কয়েকদিন আগে মার্টিনেজ বলেছিলেন, মেসি যতদিন খেলবেন ততদিন এমবাপে কোনও পুরস্কার পাবেন না। ফিফার বর্ষসেরা সম্মানেও মেসি ও এমবাপে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ছিলেন। কিন্তু মেসি জেতেন। কিন্তু মার্টিনেজ প্রশংসা করেন দি মারিয়ার। তিনি বলেছেন, ”আমি সবসময়ে দি মারিয়ার কাছে কৃতজ্ঞ। মানসিক দিক থেকে মারিয়া অদম্য প্রকৃতির। ফাইনাল খেলার জন্য মুখিয়ে থাকে। কেরিয়ারে বড় বড় সব দলে খেলেছে। দারুণ পেশাদার একজন ফুটবলার। পরিবারের সমর্থন সবসময়ে পেয়ে থাকে। বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য পরিবারের কাছ থেকে দারুণ সমর্থন পেয়েছিল।”
[আরও পড়ুন: ‘ভারতে নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করি’, তৃতীয় টেস্টে রোহিতদের দুরমুশ করার পর বলছেন স্মিথ]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!