ঐতিহাসিক ম্যাচেও জয় অধরা মোহনবাগানের

মোহনবাগান: ১ (ডিকা)Advertisement ইন্ডিয়ান অ্যারোজ: ১ (প্রবীণ) Advertisement সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খারাপ, হতশ্রী, হতাশাজনক। কোনও বিশেষণ দিয়েই যেন শুক্রবারের মোহনবাগানকে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। ঐতিহাসিক ম্যাচের সাক্ষী হতে এসে চূড়ান্ত হতাশ হয়ে ফিরলেন সমর্থকরা।Advertisement ঐতিহাসিক ম্যাচে মাঠে নামার আগের দিন ইন্ডিয়ান অ্যারোজ নিয়ে মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেন বলছিলেন, এই দলের সবচেয়ে গুণ হল বল … <p class="link-more"><a href="https://www.sangbadpratidin.in/sports/hero-i-league-mohun-bagan-indian-arrows-match-ends-with-draw/pid/108477/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "ঐতিহাসিক ম্যাচেও জয় অধরা মোহনবাগানের"</span></a></p>

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০১৭, ১০:২৫

options
link
ঐতিহাসিক ম্যাচেও জয় অধরা মোহনবাগানের

মোহনবাগান: ১ (ডিকা)

Advertisement

ইন্ডিয়ান অ্যারোজ: ১ (প্রবীণ)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খারাপ, হতশ্রী, হতাশাজনক। কোনও বিশেষণ দিয়েই যেন শুক্রবারের মোহনবাগানকে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। ঐতিহাসিক ম্যাচের সাক্ষী হতে এসে চূড়ান্ত হতাশ হয়ে ফিরলেন সমর্থকরা।

Advertisement

ঐতিহাসিক ম্যাচে মাঠে নামার আগের দিন ইন্ডিয়ান অ্যারোজ নিয়ে মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেন বলছিলেন, এই দলের সবচেয়ে গুণ হল বল হারালে সবাই মিলে ডিফেন্স করে। আর পেলে দ্রুত আক্রমণে চলে যায়। সবকিছু মাথায় নিয়েই প্রথমবার সবুজ-মেরুন মাঠে আই লিগের লড়াইয়ে নেমেছিল টিম মোহনবাগান। কিন্তু খুদে ব্রিগেডের দুর্দান্ত প্রদর্শনীতে ঐতিহাসিক ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে ব্যর্থ তারা। পয়েন্ট নষ্ট করে চ্যাম্পিয়নশিপকে আরও কঠিন করে তুলল গঙ্গাপারের ক্লাব।

[সাতপাকে বাঁধা পড়লেন ক্রুনাল পান্ডিয়া, বিয়ের আসরে শচীন]

বিশ্বকাপের মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে অ্যারোজের নজন ফুটবলার। সত্যিই এদিন নিজেদের জাত বুঝিয়ে দিলেন মাতোসের ছেলেরা। আই লিগে ছেলেদের অংশ নিতে বলার পিছনে কোচের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল অভিজ্ঞতা অর্জন। পয়েন্ট নিয়ে একেবারেই চিন্তিত ছিলেন না মাতোস। কিন্তু তাঁরা যা খেললেন, তাতে নিঃসন্দেহে চিন্তায় পড়বেন আই লিগের বাকি দলগুলির কোচ ও ফুটবলাররা। শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের অভিজ্ঞ ফুটবলাররা এই খুদেদের কাছে এদিন ঠিক ততটাই ম্লান। একের পর এক সুযোগ এল। আর একের পর এক মিস। অচল উইং, অজস্র মিসপাসে ছন্নছাড়া ফুটবল খেলল বাগান। আর ফিনিশিং? সেটা আবার কী? সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা সত্যিই এ শব্দটি মাঠে ভুলে গিয়েছিলেন। ভাগ্য ভাল পরে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো পেনাল্টিটা জুটেছিল। নাহলে ঘরের মাঠে এদিন বাগানের হারই হত সম্ভাব্য ফলাফল। শুধু তাই নয়, লজ্জায় মাথা আরও নত হল যখন অমরজীত লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পরও আক্রমণে ঝাঁজ এল না বাগানের। ঘরের মাঠে যেন ক্রোমা-ডিকাদের মুখে সপাটে চড় কষিয়ে গেলেন ধীরাজ সিংরা।

[‘দলের আর কিছু প্রমাণ করার নেই’, টিমমেটদের পাশে অধিনায়ক কোহলি]

ডার্বি জয় আর চার্চিল ম্যাচে পাঁচ গোলের গন্ধেই হয়তো এখনও পেট ভরে রয়েছে। একদিকে ইস্টবেঙ্গল যখন লিগ তালিকার শীর্ষে তখন ক্রমেই আটকে গিয়ে পিছিয়ে পড়ছেন সঞ্জয় সেনের ছেলেরা। সোনি নির্ভরতা যে কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার আরও একবার প্রমাণ মিলল এই ম্যাচে। সবুজ মেরুন কর্তাদের হয়তো সান্ত্বনা একটাই। সুষ্টভাবে ম্যাচের আয়োজন করতে সফল তাঁরা। তবে ড্র করায় আয়োজনের পুরোটাই মধুর হল না।  ম্যাচ শেষে  গো ব্যাক সঞ্জয় স্লোগার তোলেন বাগান সমর্থকরা। যাকে বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ময়দান। ঘরের মাঠে ম্যাচ আসার আনন্দ মিলিয়ে তাই আই লিগ মোহনবাগানের কাছে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জে পরিণত হল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.