মোহনবাগান: ০
ইন্টার কাশী: ০
চোখে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন। অথচ লিগের বিজনেস এন্ডে গিয়ে ১০ নম্বর দলের বিরুদ্ধে পয়েন্ট নষ্ট। ২৪ ঘণ্টা আগে যে অ্যাডভান্টেজ মোহনবাগানকে তুলে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল, মঙ্গলবার সেটা কাজে লাগাতে পারলেন না দিমিত্রি পেত্রাতোসরা। ইন্টার কাশীর মতো দলের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করে নিজেদের উপর নিজেরাই চাপ বাড়িয়ে নিল মোহনবাগান। এদিন ম্যাচের শুরু থেকে গোলের মুখ খুলতে মরিয়া ছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। কিন্তু বারবার সেই চেষ্টা প্রতিহত হল।
মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে পদত্যাগ করেছেন কোচ হাবাস। ইন্টার কাশীর দায়িত্বে এখন ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনী অভিজিৎ মণ্ডল। নিজের প্রাক্তন ক্লাব ইস্টবেঙ্গলকে লিগ লড়াইয়ে সুবিধা করে দিতে অভিজিৎ বোধহয় মরিয়া ছিলেন। তাই এদিন শুরু থেকেই রক্ষণ শক্ত করে যেনতেনপ্রকারেণ মোহনবাগানকে আটকে দেওয়াটাই যেন তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ছিল। প্রথমার্ধে কিছুটা আক্রমণের চেষ্টা করলেও দ্বিতীয়ার্ধে একপ্রকার নিজেদের অর্ধেই গুটিসুটি মেরে পড়েছিলেন ইন্টার কাশীর ফুটবলাররা। উদ্দেশ্য মহার্ঘ্য ১ পয়েন্ট।

মোহনবাগান এদিন নেমেছিল ম্যাকলারেন, আপুইয়া, লিস্টনদের বাইরে রেখেই। ফলে ফাইনাল থার্ডে সেই বিষাক্ত পাস, পরিষ্কার গোলের সুযোগ কোনওটাই সেভাবে তৈরি হল না। গোটা ম্যাচ ইন্টার কাশীর বক্সের আশেপাশে ঘোরাফেরা করলেন মোহনবাগান ফুটবলাররা। দিমিত্রি পেত্রাতোস, জ্যাসন কামিংসের মতো নামী বিদেশিরা কাজের কাজ বলতে যেটা করলেন, সেটা হল গোটা কয়েক সুযোগ নষ্ট, ভূরি ভূরি মিস পাস। ন্যূনতম বল রিসিভিংটাও যদি সঠিকভাবে করতেন দুই বিদেশি তারকা, তাতেও হয়তো ভালো গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারত সবুজ-মেরুন শিবির। এদিনের এই গোলশূন্য ড্র লিগের লড়াইয়ে চাপ বাড়াল মোহনবাগানের উপর।

বহুদিন বাদে আইএসএল জয়ের লড়াইয়ে কলকাতার দুই প্রধান। শেষ তিন ম্যাচ জিতলেই সেরার মুকুট উঠবে মাথায়। এ হেন সহজ সমীকরণ, অথচ সহজ কাজটাই করে উঠতে পারল না কেউ। ২৪ ঘণ্টা আগে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে পয়েন্ট নষ্ট করে ইস্টবেঙ্গল। তাই মঙ্গলবার মোহনবাগানের কাছে সমীকরণটা ছিল খুব সহজ। সহজ ম্যাচটা জেতো, আর লিগের লড়াইয়ে এক ধাপ এগিয়ে যাও। কিন্তু চোটআঘাতে জর্জরিত সবুজ-মেরুন শিবির সেই সহজ কাজটাই করে উঠতে পারল না। এখন যা পরিস্থিতি তাতে লিগ জিততে হলে ডার্বি-সহ দুই ম্যাচ জিততেই হবে সবুজ-মেরুনকে। আর ইস্টবেঙ্গল ডার্বি ড্র করে শেষ ম্যাচ জিতলেও চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে।
সর্বশেষ খবর
-
বিধানসভায় ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের পথে শাসকদল, দৌড়ে এগিয়ে কে?
-
৩০ হাজারের ভিড় সামলেছে ৫ হাজার পুলিশ! যন্তর মন্তরে বলপ্রয়োগের অভিযোগ খারিজ দিল্লি পুলিশের
-
এবার ধর্মীয় পর্যটন সার্কিটে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গখ্যাত শিবনিবাস! আশ্বাস মন্ত্রীর
-
জীবিত না মৃত! এবার সুপ্রিম নির্দেশে জনসমক্ষে আনা হবে ইমরানকে, কী বলল পাক আদালত?
-
২০২০ সালে ধর্মীয় সভার নামে হাজির আইএসআই কর্তারা! সমাবেশের আড়ালেই পাক চর নিয়োগ নেপালে?