অনুশীলনে গুরুতর চোট, হাসপাতালে ভরতি মোহনবাগান অধিনায়ক শিল্টন পাল

মাঠেই বমি করা শুরু করেন মোহনবাগান গোলরক্ষক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৮, ১৫:২১

options
link
অনুশীলনে গুরুতর চোট, হাসপাতালে ভরতি মোহনবাগান অধিনায়ক শিল্টন পাল

স্টাফ রিপোর্টার: লিগ জয়ের আনন্দের মধ্যেই চিন্তার খবর মোহনবাগান শিবিরে। অনুশীলন চলাকালীন মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে ভরতি অধিনায়ক শিল্টন পাল। আজ অনুশীলনে চোট পেয়ে মাঠেই বমি করেন শিল্টন। আর তাতেই বাড়ছে উদ্বেগ।

Advertisement

[সাফ ফাইনালে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেই শুরু করছে ভারত]

শনিবার শুরু হল মোহনবাগানের প্র্যাকটিস। কাস্টমসকে হারিয়ে লিগ জয়ের পর মাঝে দু’দিন দলকে বিশ্রামে রাখা হয়েছিল। সামনে মহামেডান ম্যাচ। তাই দলবল নিয়ে নেমে পড়লেন শংকরলাল চক্রবর্তী। এদিন, তেমন কঠোর অনুশীলনের মধ্যে দলকে ঠেলে দেননি শংকরলাল। ঠিক করেছিলেন ওয়ার্ম আপের পর ফুট-ভলি খেলাবেন। সেইভাবে খেলাও শুরু হয়। ফুট-ভলি খেলার বৈশিষ্ট্য হল, হাতের বদলে পায়ে ভলিবল খেলতে হবে। সেইমতো খেলাও চলছিল। কিন্তু দলের গোলকিপার শিল্টন পাল দুম করে ব্যাকভলি মেরে বসেন। আর সেই ব্যাকভলি মারতে গিয়ে মাথায় চোট পান শিল্টন। প্র‌্যাকটিসের পর ক্লাবের এক কর্তাকে দিয়ে তাঁকে পাঠানো হয় আমরি হাসপাতালে। উদ্দেশ্য, স্ক্যান করা। অর্থাৎ, মাথায় গুরুতর কোনও চোট পেয়েছেন কিনা। মাঠ থেকে হাসপাতালে যাওয়ার সময়, শিল্টন অবশ্য বমিও করেন। ফলে, অনেকেই চিন্তিত। বিকেলে শিল্টনের সিটি স্ক্যান হওয়ার কথা।
রিপোর্ট যাই হোক না কেন, শিল্টনের এই চোট নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। মজার ঘটনা হল, প্র‌্যাকটিসে সচিব অঞ্জন মিত্রের লোকজন বলতে গেলে তেমন কেউই ছিলেন না। এদিন প্র‌্যাকটিস শুরু হওয়ার আগেই টিম মিটিং করেন কোচ শংকরলাল চক্রবর্তী। সেই মিটিংয়ে নাকি মোহনবাগান কোচ ডিকা, হেনরি, সৌরভদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজ মহামেডানের খেলা আছে, প্রত্যেকেই যেন সেই খেলা দেখার চেষ্টা করে। যদিও খেলা দেখার জন্য তিনি কাউকেই বাধ্যবাধকতার মধ্যে রাখেননি। শুধু মোহনবাগান কোচ এটুকু বলে বোঝাতে চেয়েছেন, মঙ্গলবারের প্রতিপক্ষ সম্পর্কে সকলে যেন ওয়াকিবহাল থাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[শংকরলালকে সহকারী হিসেবে চান ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ]

শুধু এটুকু বলে থেমে যাননি শংকরলাল, প্রত্যেককে বুঝিয়ে দিয়েছেন ভালয় ভালয় শেষ ম্যাচটাও উতরোতে হবে। অর্থাৎ মহামেডানকে হারিয়ে অপরাজেয় আখ্যা ধরে রাখাই লক্ষ্য যেন থাকে মোহনবাগানের। এদিন প্র‌্যাকটিসের পর ড্রেসিংরুমে সভাপতি টুটু বোস দু’লাখ টাকা পাঠিয়ে দেন। টুটুবাবু লিগ জয়ের পর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দু’লাখ টাকা দেবেন। তিনি কথা রাখলেন। কিন্তু সচিব অঞ্জন মিত্র বলেছিলেন, তিনিও লিগ জয়ের জন্য দলকে আর্থিক পুরস্কার দেবেন। এদিন অবশ্য দলের বেতন হয়েছে। কিন্তু সচিবের প্রতিশ্রুতিমতো টাকা এখনও ফুটবলারদের হাতে এসে পৌঁছয়নি।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.