সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯১১ সালে প্রথম ভারতীয় দল হিসাবে আইএফএ শিল্ড জয় করে মোহনবাগান। ফাইনালে তারা ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করে। এবার দুর্গাপুজোতেও উঠে এল মোহনবাগানের সেই গর্বের ইতিহাস। শনিবার, পঞ্চমীর দিন বউবাজারের ৪৭ পল্লীর সেই পুজোর উদ্বোধন হয়ে গেল মোহনবাগান ক্লাবের বর্তমান সচিব সৃঞ্জয় বোস এবং সভাপতি দেবাশিস দত্তর হাত ধরে।
বউবাজারের ৪৭ পল্লীর এবারের থিম ‘গর্বের নাম মোহনবাগান, অমর একাদশ’। হিন্দ-আইনক্সের কাছাকাছি বউবাজারের মলঙ্গা লেন লাগোয়া লালবিহারী ঠাকুর পার্ক। এই অঞ্চলের আরও একটা পরিচয় রয়েছে। একে বলা হয় মোহনবাগান পাড়া। সেই আবেগকে কাজে লাগিয়েই এবারের পুজোর থিমে উঠে এসেছে মোহনবাগান।

থিমের নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ১৯১১-র সেই ঐতিহাসিক শিল্ড জয়ের স্মৃতিই এই মণ্ডপের ছত্রে ছত্রে বহমান। কেবল ক্রীড়া ইতিহাসে নয়, এই জয় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।
তবে কেবল অতীত নয়, বর্তমানকেও তুলে ধরা হয়েছে বউবাজারের এই কমিটির পুজোয়। পুজোমণ্ডপে ঢুকলে আপনার মনে হবেই হবে সবুজ-মেরুন দুনিয়ায় প্রবেশ করেছেন। সেখানে রয়েছে শতবর্ষ প্রাচীন এই ক্লাবের নানান সাফল্যের ছবি। একই সঙ্গে থাকছে মোহনবাগানের ম্যাচের কিছু ক্লিপিংসও। আবহও অনবদ্য। শব্দব্রহ্মের মতো সেখানে শোনা যাচ্ছে ‘গোওওওওওল…’। তাদের উদ্যোগে শামিল হয়ে এদিন মোহনবাগান সচিব প্রদীপ প্রজ্বলন করেন। সঙ্গে ছিলেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত। তাঁরা মণ্ডপ ঘুরেও দেখেন। তাঁদের পেয়ে সমর্থকরাও রীতিমতো উচ্ছ্বসিত ছিলেন।
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি চাকরির প্রস্তুতিতে চার দশক, সমাবর্তনের মঞ্চে উজ্জ্বল রাইসের কৃতীরা
-
৫ জুনেই ৫৮ লক্ষ উদ্ধার, তারপরও কেন এফআইআর হয়নি? রাম মন্দিরের টাকা চুরিতে প্রশ্নের মুখে ট্রাস্ট
-
বীরের ঠোঁট কামড়ে রক্তারক্তি করেছেন কঙ্গনা! ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন যুগলে
-
‘দেরি হলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না’, রামমন্দিরে চুরির তদন্ত নিয়ে বলল সুপ্রিম কোর্ট
-
‘এটাই শেষ বক্তব্য’, হুমায়ুনের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে বিধানসভায় ‘সবক’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর