Mohun Bagan

সাহালের হ্যাটট্রিকে ডুরান্ডে সিআইএসএফ’কে গোলের মালা মোহনবাগানের, চিন্তা গোল মিসের প্রবণতাও

তবে এদিন সবুজ-মেরুন জার্সিতে অভিষেক হল না মিগুয়েলের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৮:২৭

options
link
সাহালের হ্যাটট্রিকে ডুরান্ডে সিআইএসএফ’কে গোলের মালা মোহনবাগানের, চিন্তা গোল মিসের প্রবণতাও

মোহনবাগান: ৬ (সাহাল হ্যাটট্রিক, মনবীর, জেমি, অভিষেক)
সিআইএসএফ: ০
ডুরান্ডে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ নিয়মরক্ষার। সিআইএসএফের মতো ‘দুর্বল’ দলের বিরুদ্ধে মোহনবাগান যে সহজেই জিতবে, সেটা তো আর নতুন কিছু নয়। সেনা দলকে ইস্টবেঙ্গল ৮ গোল দিয়েছিল, ফলে কোথাও গিয়ে একটা অদৃশ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে প্যানাজিওটিস দিলেমপেরিসের দল জিতল ৬-০ গোলে। হ্যাটট্রিক করলেন সাহাল আবদুল সামাদ। কিন্তু ম্যাচটা আরও অনেক বেশি ব্যবধানে জিততে পারত সবুজ-মেরুন বাহিনী। গোলবন্যার মধ্যেও মোহনবাগানকে ভাবাবে মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোর গোল মিসের প্রবণতা।

Advertisement

সিআইএসএফের বিরুদ্ধে আক্রমণভাগে সাহাল, লিস্টন, মনবীরদের সঙ্গে বিদেশি হিসেবে ছিলেন ডেজান ড্রাজিক। রিজার্ভে ছিলেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা ও জেমি ম্যাকলারেন। প্রথম ১৫ মিনিট একটু গুছিয়ে নিতে সময় লাগে মোহনবাগানের। প্রথম গোল এল ১৭ মিনিটে। প্রতিপক্ষ রক্ষণের ভুল বোঝাবুঝিতে বল চলে আসে সাহালের পায়ে। ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন। পরের মিনিটেই আবার গোল। এবার আরও সহজ। মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল পেয়ে ড্রাজিক বক্সের মধ্যে ঢুকে যান। সেখান থেকে সেকেন্ড বারে সাহালকে পাস দেন। তাঁর আশেপাশে আর কেউ ছিল না।

Advertisement

তৃতীয় গোল এল ২৪ মিনিটে। বিপক্ষ ডিফেন্ডারকে কাঁধে নিয়ে দারুণ গোল করেন মনবীর সিং। তাঁর একটি পেনাল্টির আবেদনও নাকচ হয়। ৩৬ মিনিটে ৪-০ করেন সাহাল। বক্সের মধ্যে দু-তিনজনকে কাটিয়ে গোল করেন তিনি। প্রথমার্ধে আর কোনও গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল পেতে সময় লাগল আরও ২০ মিনিট। বদলি হিসেবে নেমেই গোলের দেখা পান জেমি ম্যাকলারেন। এখনও পুরো ফিট নন। তবে এতদিন পর মাঠে ফিরে ‘গোল্ডেন টাচ’ ভোলেননি। বক্সের বাঁপ্রান্তে বল ধরে নিখুঁত প্লেসিংয়ে গোল করে যান তিনি। ৭২ মিনিটে গোল করেন অভিষেক টেকচাম সিং।

Advertisement

গ্রুপ পর্বে তিনে তিন জয়। ডার্বিজয়। তিন ম্যাচে ১৫ গোল। তার মধ্যেও এই ম্যাচে চিন্তা থেকে গেল। আগের ম্যাচে মনবীর হ্যাটট্রিক করেছিলেন। এই ম্যাচে সক্রিয় থাকলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। কখনও ভুল জায়গায় পাস দিচ্ছেন, কখনও বা বাইরে মারছেন। তবে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার লিস্টন কোলাসোকে নিয়ে। গতিতে হয়তো প্রতিপক্ষকে টেক্কা দিচ্ছেন। কিন্তু ঠিকভাবে শটও নিতে পারছেন না। রিসিভ করতেও সমস্যা হচ্ছে। এদিন মাঠে নামেননি মিগুয়েল। সবুজ-মেরুন জার্সিতে তাঁকে এদিনও দেখা গেল না। ডুরান্ডের পরের পর্বে মিগুয়েল ম্যাজিক দেখার অপেক্ষা থাকবে মোহনবাগান সমর্থকদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.