বিশ্বকাপে ম্যাচ চলাকালীন লোডশেডিং নয়, কড়া নির্দেশ রাজ্যের

পর্তুগাল ও স্পেনের ম্যাচের সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিরক্ত রাজ্যবাসী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৮, ১৪:০৩

options
link
বিশ্বকাপে ম্যাচ চলাকালীন লোডশেডিং নয়, কড়া নির্দেশ রাজ্যের

সন্দীপ চক্রবর্তী: পর্তুগাল ও স্পেনের ম্যাচ বিশ্বকাপে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ক্ষেত্রে নতুনভাবে প্রস্তুতি নিতে বাধ্য করল বিদ্যুৎ দপ্তরকে। শুক্রবার রাতে ‘হাইভোল্টেজ’ ম্যাচে লোডশেডিংয়ের অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়েছে দপ্তরে। আর সেই কারণেই দপ্তরের কর্তাদের কাছে রিপোর্ট চাইলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী সব ম্যাচ দেখতে সাধারণ মানুষের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। মন্ত্রী নিজেও জানিয়েছেন, ম্যাচ চলাকালীন লোডশেডিং করে ‘ক্যাপাসিটি অ্যাডজাস্ট’ করা যাবে না। লোডশেডিং যেন না হয়। প্রতিটি সাব স্টেশনেও পর্যাপ্ত কর্মী-আধিকারিক রাখতে হবে। গাফিলতিতে প্রয়োজনে কড়া ব্যবস্থারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

[  রাতারাতি সুপারস্টার আইসল্যান্ডের গোলকিপার, ফাঁস করলেন মেসিকে রুখে দেওয়ার ফর্মুলা ]

Advertisement

তবে রোনাল্ডো-কোস্তার ডুয়েল দেখতে আচমকা এতটা লোড বাড়তে পারে, তা আঁচ করতে পারেননি কর্তারা। এর পিছনে কয়েকটি কারণ আপাতত স্পষ্ট। নিগমের কর্তারা জানিয়েছেন, ইদের উৎসবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে অনেক সংযোগ জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। বহু ক্ষেত্রে সম্মতি নেওয়া হয়নি। উৎসবের আমেজে একসঙ্গে এক একটি এলাকায় ডিজে, বক্স বাজানো হয়েছে। এতেই লোড বেড়ে যায়। পাশাপাশি ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের প্রবল গরমে স্বস্তি পেতে এসি লাগানো হয়েছে। বণ্টন সংস্থার কর্তাদের বক্তব্য, অনেকক্ষেত্রেই এসিগুলি লাগানো হয়েছে অনুমতি ছাড়াই। এবং ম্যাচ চলাকালীন প্রায় ঘরে টিভি, ফ্যান চলেছে বেশি বেশি করে। ফলে আচমকা বাড়তি লোড পড়ে যাওয়ায় ‘ট্রিপ’ করে গিয়েছে লাইন। ট্রান্সফর্মারের উপর বেশি লোড পড়ে যাওয়ায় লোডশেডিং করে ‘ক্যাপাসিটি অ্যাডজাস্ট’ করতে হয়েছে। কর্তাদের বক্তব্য, এমন না করলে ট্রান্সফর্মার উড়ে যেতে বা বসে যেতে পারত। তাতে বিভ্রাট বাড়ত।

Advertisement

[  বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করে একগুচ্ছ রেকর্ডের মালিক হলেন রোনাল্ডো ]

হুগলি, হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনা বা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে এই লোড ক্যাপাসিটি অ্যাডজাস্ট করতে হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারদের। অর্থাৎ, বারবার লাইন বন্ধ করে আবার চালু করতে হয়েছে। তাই দেখা গিয়েছে, কোনও কোনও জায়গায় দেড় ঘণ্টার ম্যাচে সাত-আটবার বিদ্যুৎ গিয়েছে। যদিও বিদ্যুৎহীন অবস্থার মেয়াদ ছিল বড়জোর পাঁচ মিনিট। কিন্তু ওইটুকু সময়েই উৎসাহী খেলাপাগল মানুষ দপ্তরের টোল ফ্রি নম্বরে বা নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ফোন করে অভিযোগ জানিয়েছেন।  তবে যেহেতু ইদের উৎসব মিটে যাবে, তাই আর কোনও বিভ্রাট হবে না বলেই আশ্বাস দিয়েছে বিদ্যুৎ দপ্তর। মন্ত্রীরও বক্তব্য, “মানুষ যাতে ভালভাবে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে পারেন, তার সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

ছবি- পিন্টু প্রধান

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.