National volleyball league

কোনও ম্যাচ রাত দু’টোয়, কোনওটা ভোর পাঁচটায়, জাতীয় ভলিবলে আজব সূচি, কেন?

বাংলাতেই আয়োজিত হচ্ছে জাতীয় ভলিবল প্রতিযোগিতা। কিন্তু কেন রাতভর ম্যাচগুলি হচ্ছে?

Advertisement
প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৫:৫৮

options
link
কোনও ম্যাচ রাত দু’টোয়, কোনওটা ভোর পাঁচটায়, জাতীয় ভলিবলে আজব সূচি, কেন?
মধ্যরাতে জাতীয় ভলিবল ম্যাচ। নিজস্ব চিত্র।

এটা কোনও কর্পোরেট ভলিবল ম্যাচ নয়। সারাদিন অফিস করে এসে একটু বেশি রাতে কর্পোরেটের কর্মীরা স্রেফ বিনোদন আর শরীরচর্চার জন্য ম্যাচ খেলে বাড়ি ফিরে যাবেন। যে টুর্নামেন্টে রাত দুটোয় বাংলার ভলিবল দল খেলতে নেমেছে সেটা জাতীয় সাব জুনিয়র টুর্নামেন্ট। আর আয়োজন করা হয়েছে এই বাংলাতেই!

Advertisement

এবারের সাব জুনিয়র ভলিবলের আসর বসেছে হুগলির পোলবায়। সেই প্রতিযোগিতায় বাংলার ছেলেরা তাদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামল মঙ্গলবার রাত দুটোর সময়। প্রতিপক্ষ রাজস্থান। মাঝরাতের ম্যাচটিতে বাংলা হেরেছে। এখানেই শেষ নয়। বুধবার ভোর পাঁচটায় খেলতে হয়েছে তামিলনাড়ু ও হিমাচল প্রদেশকেও। তামিলনাড়ু দলের ম্যানেজার পাণ্ডিয়া রাজের দাবি, তিনি অনুরোধ করেছিলেন তাঁদের ম্যাচটি ভোর পাঁচটার বদলে পরের দিন সকালে দেওয়ার জন্য। সেই অনুরোধও রাখা হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেন জাতীয় টুর্নামেন্ট সারা রাত ধরে হচ্ছে? ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলিবল অ্যাসোসিয়েশনের সচিব রথীন রায়চৌধুরি জানান, প্রথম দিন সকালে কোর্ট ভিজে থাকায় দেরি করে খেলা শুরু হয়েছে। পরে একঘণ্টা খেলা হয়নি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থাকায়। ফলে সব খেলা নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যায়নি। রাত কেটে ভোর হয়ে গিয়েছে। সারা রাত ধরে খেলা হওয়া নিয়ে অবশ্য সচিব খুব একটা চিন্তিত নন। তাঁর দাবি, জাতীয় স্তরে সারা রাত জেগে খেলা হয়েই থাকে। জাতীয় পর্যায়ে এটা স্বাভাবিক বিষয়। তিনি বলেন, “এটা ন্যাশনালে হয়েই থাকে। ভোর ছটাতেও ম্যাচ শুরু হয়। প্রত্যেকটি সিনিয়র ন্যাশনালে এমন হয়েই থাকে। এটা বাংলা বলে নয়। সব জায়গাতেই হয়। প্লেয়াররা মেনেও নেয়। চারদিনের মধ্যে গ্রুপ পর্ব শেষ করতেই হবে।”

Advertisement

বাংলা কোচ সুদীপ্ত কুমার বলছেন, “রাত দুটোয় আমাদের অভ্যেস নেই খেলার। কিন্তু পরিস্থিতির জন্য আমাকে অংশ নিতেই হবে, নয়তো সমস্যা বাড়বে। আমি আয়োজক রাজ্যের কোচ হয়ে এমন পরিস্থিতিতে যদি না নামি, তাহলে আমার সমস্যা হবে। তবে কখনওই এত রাতে ম্যাচ হতে পারে না। রাত দুটোয় ম্যাচ খেলা খুবই কষ্টের। ওই সময় ছেলেগুলো সারা বছর ঘুমিয়েছে। রাত দুটোয় নিজেদের সেরাটা দেওয়া অসম্ভব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.