সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরও একটা পদক ভারতের ঝুলিতে। এবার ব্রোঞ্জ এনে দিলেন কুস্তিগির আমন শেহরাওয়াত। ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে পুয়ের্তো রিকোর দারিয়ান ক্রুজকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতে নিলেন আমন। তিনি জিতলেন ১৩-৫ পয়েন্টে। আমনের হাত ধরে ষষ্ঠ পদক এল দেশে। যার মধ্যে কুস্তিতে প্রথম পদক এনে দিলেন তিনি।
সেমিফাইনালের ম্যাচে জাপানের রেই হিগুচির কাছে দাঁড়াতেই পারেননি ভারতের কুস্তিগির। সেখানে ১০-০ ব্যবধানে হারেন। কিন্তু এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে খেলছিলেন আমন। তাই প্রথমেই ১ পয়েন্ট পিছিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েননি। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ২ পয়েন্ট লিড নিয়ে নেন। কিন্তু জানতেন এত সামান্য ব্যবধান যথেষ্ট নয়। তাই ক্রমাগত লেগ অ্যাটাক করে যান।
[আরও পড়ুন: ‘বিষয়টিতে মানবিক স্পর্শ রয়েছে’, ভিনেশ কাণ্ডে মুখ খুললেন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থার সভাপতি]
পালটা আক্রমণে দারিয়ান ২ পয়েন্ট এগিয়ে যান। যদিও ডিফেন্স করতে করতেই আমন টেক ডাউন করে ৪ পয়েন্ট ছিনিয়ে নেন। বাউটের তিন মিনিট বাকি থাকতেই ৬-৩ পয়েন্টে এগিয়ে যান। তার পর ম্যাচ শুরু হতেই বোঝা যায় আমনের টানা আক্রমণে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন দারিয়ান। সেই সুযোগ আর ছাড়তে রাজি ছিলেন না আমন। লেগ অ্যাটাক করে বার বার নাজেহাল করে দেন। তার পরই এসে যায় প্রত্যাশিত সাফল্য। ১৩-৫ ব্যবধানে জিতে ব্রোঞ্জ পান আমন। ভারতের ঝুলিতে ঢোকে আরেকটি পদক।
[আরও পড়ুন: ‘মায়েরা তো এরকমই হন’, প্যারিসে খোলামেলা রুপোজয়ী নীরজ, দাঁড়ালেন ভিনেশের পাশেও]
অল্প বয়সে মা-বাবাকে হারান আমন। কিন্তু কখনই লড়াই থেকে সরে দাঁড়াননি। অলিম্পিকে পদক পাওয়ার পর জানিয়ে গেলেন এই সাফল্য তিনি উৎসর্গ করছেন মা-বাবাকেই। তার সঙ্গে গোটা দেশকেই পদক উৎসর্গ করেন ২১ বছর বয়সি কুস্তিগির। এখানেই তাঁর কৃতিত্বের শেষ নয়। ভারতের সর্বকনিষ্ঠ অ্যাথলিট হিসেবে মেডেল জিতলেন আমন। ভিনেশ ফোগাট, নিশা দাহিয়াদের স্বপ্নভঙ্গের মধ্যেও অলিম্পিকের মঞ্চে দেশের পতাকা উপরে তুলে ধরলেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!
-
বাড়বে স্ক্রিনের সংখ্যা! ভারতীয় সিনে ইন্ডাস্ট্রির উন্নতিতে একগুচ্ছ ঘোষণা কেন্দ্রের
-
বাংলার ভাষাবিদের ইতালি জয়, সাঁওতালি ভাষা ও সাহিত্যে প্রথম ভারতীয় হিসাবে আন্তর্জাতিক পুরস্কার!