Ritabrata Banerjee

বাঙালি বলেই বৈষম্য? ফিডে রেটিং পাওয়া সর্বকনিষ্ঠ অনীশকে নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রীকে প্রশ্ন ঋতব্রতর

কলকাতার চারবছরের দাবাড়ু অনীশ সম্প্রতি ফিডে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ দাবাড়ু হিসাবে এলো রেটিং অর্জন করেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৫, ১৫:০২

options
link
বাঙালি বলেই বৈষম্য? ফিডে রেটিং পাওয়া সর্বকনিষ্ঠ অনীশকে নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রীকে প্রশ্ন ঋতব্রতর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলার বিস্ময়কর প্রতিভা দাবাড়ু অনীশ সরকারকে নিয়ে কেন কেন্দ্রের সঠিক পরিকল্পনা নেই, সে ব্যাপারে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে রাজ্যসভায় ঝড় তুললেন তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ দাবাড়ু হিসাবে কলকাতার চারবছরের অনীশ সরকার এলো রেটিং অর্জন করেছে। শনিবার রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য তুলে ধরে ঋতব্রত ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যকে প্রশ্ন করেন, অনীশের উন্নতির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও পরিকল্পনা আছে কি?

Advertisement

ঋতব্রত বলেন, “কলকাতার চারবছরের দাবাড়ু অনীশ সম্প্রতি ফিডে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ দাবাড়ু হিসাবে এলো রেটিং অর্জন করেছে। অসাধারণ কৃতিত্ব।” কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য অনীশের কৃতিত্ব স্বীকার করলেও এই খুদে দাবাড়ুর উন্নতির জন্য ক্রীড়ামন্ত্রকের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। এ প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, “মন্ত্রীর পুরো বক্তব্যটাই ছিল ধোঁয়াশাযুক্ত। অনীশের প্রতিভাকে বিকশিত করার ব্যাপারে কেন্দ্রের নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানাতে চাননি। আমার প্রশ্ন হল, অনীশ বাঙালি বলেই কী এই বৈষম্য? বাংলার না হয়ে অন্য কোনও রাজ্য থেকে অন্য কোনও দাবাড়ু এই কৃতিত্ব অর্জন করলে কী তিনি এইভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারতেন?”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী ঋতব্রতর জবাবে বলেছেন, “অনীশ সরকার মাত্র চার বছর বয়সে ফিডে স্ট্যান্ডার্ড রেটিং পেয়েছে। তার প্রতিভাকে বিকশিত করার দায়িত্ব জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশনের (এনএসএফ)। জাতীয় পর্যায়ে দাবার প্রচার এবং খেলোয়াড়দের প্রতিভাকে বিকশিত করতে সর্বভারতীয় দাবা ফেডারেশন এনএসএফ-কে দায়িত্ব দিয়েছে। সরকারের তরফে ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণের জন্য এনএসএফের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে, বিজ্ঞানভিত্তিক অনুশীলন, স্বাস্থকর খাদ্য, উপযুক্ত সরঞ্জাম সহায়তা করা, বিদেশি কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফ পরিষেবাও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। পুরোটাই এনএসএফ দেখভাল করে।”

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.