গ্যাস লিক

‘এ দৃশ্য সহ্য করা যায় না’, ভাইজ্যাগ গ্যাস দুর্ঘটনায় মর্মাহত বিরাট-সানিয়ারা

মৃতদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১১:২৮

options
link
‘এ দৃশ্য সহ্য করা যায় না’, ভাইজ্যাগ গ্যাস দুর্ঘটনায় মর্মাহত বিরাট-সানিয়ারা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেউ মাঝরাস্তায় জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যাচ্ছেন, তো কেউ পড়ে রয়েছেন নর্দমায়। চেতনা হারিয়ে ফেলা মায়ের পাশে বসে আর্তনাদ করছে দুধের শিশু। এসব দৃশ্য যেন সহ্য করা যাচ্ছে না। মর্মান্তিক, ভয়ংকর, অস্বস্তিকর বললেও হয়তো সঠিক ব্যাখ্যা হয় না। কিন্তু ভোপালের স্মৃতি উসকে দিয়ে ভাইজ্যাগে বিষাক্ত গ্যাস লিকের ঘটনা ফের মানুষকে এই দৃশ্যেরই সাক্ষী করল। যা দেখে মন খারাপ ক্রীড়া জগতেরও।

Advertisement

তখন মাঝ রাত। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন বিশাখাপত্তনমের আরআর ভেঙ্কটাপুরমবাসী। ঘুমের মধ্যেই তীব্র জ্বালা ধরল শরীরে। তেষ্টায় ফেটে যাচ্ছে গলা। কিন্তু উঠে জল খাওয়ারও সামর্থ্য নেই তখন। বিছানা ছেড়ে উঠে দু’পা হাঁটতেই ঢোলে পড়ছেন মাটিতে। বৃহস্পতিবার ভোরের ভয়ংকর গ্যাস লিক হওয়ার ঘটনায় মর্মাহত গোটা দেশ। রাসায়নিক কারখানার বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে এক শিশু-সহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভরতি এক হাজার জনেরও বেশি। টিভির পর্দায় এমন খবরে চোখ রেখে শিউরে উঠেছেন খেলার দুনিয়ার তারকারাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছেন নিজেদের প্রতিক্রিয়া।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ট্রেনের ধাক্কায় ভাঙল বাড়ি ফেরার স্বপ্ন, ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু ১৫ পরিযায়ী শ্রমিকের]

একেতে লকডাউন। করোনা মহামারির সঙ্গ লড়াই করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে গোটা দেশকে। তারই মধ্যে গোদে উপর বিষফোঁড়ার মতোই বেদনাদায়ক ভাইজ্যাগের দুর্ঘটনা। শোকস্তব্ধ বিরাট কোহলি থেকে শিখর ধাওয়ান, সাইনা নেহওয়াল থেকে সানিয়া মির্জা, মহম্মদকাইফ, সুনীল ছেত্রী- প্রত্যেকেই। টুইটারেই মৃতদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানালেন তাঁরা। সেই সঙ্গে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারতীয় ফুটবল অধিনায়ক সুনীল টুইটারে লিখেছেন, “এমন দৃশ্য চোখে দেখা যায় না। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সহানুভূতি রইল। আর কামনা করি যেন আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। মানুষের প্রাণের মূল্য দিতে আমাদের সব ধরনের চেষ্টা করা উচিত।”

[আরও পড়ুন: পরিযায়ী শ্রমিক সেজে বাড়ি ফিরতে গিয়ে ধৃত তিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া]

কাইফ লিখেছেন, “রনজির দুটো মরশুম বিশাখাপত্তনমে কাটিয়েছি। এই শহরকে খুব কাছ থেকে চিনি। দৃশ্যগুলো খুবই কষ্টদায়ক।” হার্দিক পাণ্ডিয়া, পিভি সিন্ধু, যুবরাজ সিংরাও এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রার্থনা, ভবিষ্যতে যেন এমন দৃশ্যের সাক্ষী আর না হতে হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.