যোগীর রাজ্যে শৌচালয় পরিষ্কার করছেন জাতীয় স্তরের তিরন্দাজরা! নিশ্চুপ ক্রীড়ামন্ত্রক

প্রতিবাদে তিনদিনের অনশনের ডাক ক্রীড়াবিদদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০১৮, ২০:৫০

options
link
যোগীর রাজ্যে শৌচালয় পরিষ্কার করছেন জাতীয় স্তরের তিরন্দাজরা! নিশ্চুপ ক্রীড়ামন্ত্রক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁরা জাতীয় স্তরের তিরন্দাজ। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্বও করেছেন। সেই তীরন্দাজদের দিয়েই কিনা জোর করে শৌচালয় পরিষ্কার করানো হয়! শুধু তাই নয়, নিম্নমানের খাবার ও নোংরা জল খেতেও বাধ্য তাঁরা। ছবিটা যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের স্পোর্টস হস্টেলের।

Advertisement

মির্জাপুর জেলার সোনভদ্র এলাকার এক সরকারি স্পোর্টস হস্টেলের এমন ঘটনায় আরও একবার কালিমালিপ্ত হল দেশের ক্রীড়ামহলের ভাবমূর্তি। যার প্রতিবাদে তিনদিনের অনশন ধর্মঘটের ডাক দেন ওই হস্টেলের ২৬ জন তিরন্দাজ। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোরকেও পুরো ঘটনাটি লিখিতভাবে জানিয়ে এর সুবিচারও দাবি করেন। গত সোমবার হস্টেল ক্যাম্পাসে তল্লাশি চালায় পুলিশ। ঘটনা খতিয়ে দেখতে হাজির হন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র আধিকারিক ও কমিশনারও। কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। উলটে অভিযোগ তুলে নেওয়ার হুমকি দেয় পুলিশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হায়দরাবাদকে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে ধোনি অ্যান্ড কোং]

ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে যে চিঠি পাঠানো হয়েছিল তাতে ২১ জন তিরন্দাজের সই ছিল। যাঁদের মধ্যে ছিলেন ছ’জন মহিলা তিরন্দাজও। স্পোর্টস আধিকারিক অনিল তিওয়ারির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এক তিরন্দাজ বলেন, “আমাদের দিয়ে জোর করে শৌচাগার পরিষ্কার করানো, ঘাস কাটার কাজ করানো হয়। দিনের পর দিন আমাদের নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে। বিশুদ্ধ জলের কোনও ব্যবস্থা নেই। এমনকী হস্টেলে নেই কোনও রেফ্রিজারেটর বা রুম কুলার। মহিলাদের নিরাপত্তার কোনও ব্যবস্থাও নেই। গোটা বিষয়টি অনিল তিওয়ারিকে জানানো হলে তিনি উলটে হুমকি দেন।” তিরন্দাজরা আরও জানিয়েছেন, এমন কাণ্ডের জন্য চলতি বছরই ছ’জন তিরন্দাজ হস্টেল ছেড়ে দেন। আর এসবের প্রতিবাদ করায় দু’জনকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

Advertisement

_117dda90-5e54-11e8-828c-aa2fd3852b8f

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী খাওয়া-দাওয়ার খরচ বাবদ হস্টেলের প্রত্যেক ক্রীড়াবিদের দিনপিছু ২৫০ টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু তাঁরা পান ১৪৫ টাকা। শুধু কি তাই? আমিষ খাবার, দুধ, মাখন, ফলমূল কিছুই পান না তাঁরা। খেলার সব সরঞ্জামও ঠিক মতো মেলে না। স্থানীয় কোনও প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেও বাধা দেয় হস্টেল কর্তৃপক্ষ। হস্টেলের নিয়মবিধির বিরুদ্ধে যাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁদেরই অনুশীলন করতে দেওয়া হয়নি। আঞ্চলিক স্পোর্টস অফিসার ভগবান রাই তিরন্দাজদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, “এর আগেও অনিল তিওয়ারির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। কিন্তু ক্রীড়ামন্ত্রক সেদিকে কান দেয়নি।” এদিকে উত্তরপ্রদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী চেতন চৌহান জানান, তাঁর কাছে অনশন ধর্মঘটের কোনও খবর নেই। তবে ঘটনা সত্যি হলে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

[এবার বড়পর্দায় ‘দাদাগিরি’? সৌরভের বায়োপিক নিয়ে জোর জল্পনা বলিউডে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.