Fifa World Cup

যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় বিশ্বকাপ না খেলার ঘোষণা ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রীর, পরিবর্ত হিসাবে এগিয়ে কারা?

ইরান বিশ্বকাপ না খেললে কী হবে? কী কী শাস্তি হবে তাদের? বদলি কারা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ২১:০৮

options
link
যুদ্ধের জেরে আমেরিকায় বিশ্বকাপ না খেলার ঘোষণা ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রীর, পরিবর্ত হিসাবে এগিয়ে কারা?
ফুটবল বিশ্বকাপ ভেন্যু বদলের দাবি ইরানের! ফাইল ছবি।

অনৈতিকভাবে আক্রমণ। সুপ্রিম লিডার খামেনেই-কে ‘খুন’। আমেরিকার বিরুদ্ধে ক্ষোভে আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেবে না ইরান। একপ্রকার নিশ্চিত করে দিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আহমেদ ডোন্যামালি। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, “আমেরিকার বর্তমান দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার আমাদের সুপ্রিম লিডারকে খুন করেছে। তাই কোনও অবস্থাতেই আমেরিকায় বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না ইরান।”

Advertisement

১১ জুন থেকে শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ। আমেরিকা, মেক্সিকো এবং কানাডা এই তিন দেশ মিলে হবে এবারের বিশ্বকাপ। ইরান নিজেদের যোগ্যতাতেই বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে। তাদের গ্রুপে রয়েছে বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড এবং মিশর। আগামী ১৫ ও ২১ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়াম এবং ২৬ জুন সিয়াটেলে মিশরের সঙ্গে গ্রুপ পর্বের খেলা ছিল ইরানের। যেহেতু ইরানের সব ম্যাচই আমেরিকায়, তাই তাঁদের পক্ষে সে রাজ্যে দল পাঠানো সম্ভব নয়, সেটা নিশ্চিত করে দিলেনে সে দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী।

Advertisement

এদিন সকালেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণে ছাড়পত্র দেয়। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিকে ট্রাম্প জানিয়ে দেন, যুদ্ধ বন্ধ হবে না। তবে একই সঙ্গে চলবে খেলাও। ইরানের প্রশাসন যতই শত্রু হোক, সেদেশের ফুটবল দল যদি বিশ্বকাপে খেলতে যায়, তাহলে কোনওরকম সমস্যা হবে না। আমেরিকা তাঁদের স্বাগতই জানাবে। ট্রাম্প জানান, এই পরিস্থিতিতে আরও বেশি করে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা দরকার। আমরা চাই ইরানবাসীর সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বাড়ুক। ফলে সার্বিকভাবে বিশ্বকাপে কোনও সমস্যা হবে না।

Advertisement

এখন অবশ্যম্ভাবী প্রশ্ন, ইরান বিশ্বকাপ না খেললে কী হবে? ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনও দল বিশ্বকাপে অংশ না নিলে তাঁদের ফিফার তরফ থেকে পাওয়া সব আর্থিক সাহায্য ফেরত দিতে হয়। উপর্যুপরি আর্থিক জরিমানা এমনকী নিষেধাজ্ঞাও হতে পারে। টুর্নামেন্টে ওই দলের ম্যাচগুলিকে ওয়াকওভার হিসাবে ধরে নিয়ে বিপক্ষকে পয়েন্ট উপহার দেওয়া হতে পারে। তবে সময় থাকলে পরিবর্ত হিসাবে অন্য দেশকেও নিতে পারে ফিফা। এই মুহূর্তে ইরান যদি সরকারিভাবে বিশ্বকাপ না খেলার কথা ফিফাকে জানিয়ে দেয় তাহলে পরিবর্ত কোনও দলকে সুযোগ দিতে পারে ফিফা। সেক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে ইরানেরই চিরশত্রু ইরাক। ইরান না খেললে ইরাকেরই বিশ্বকাপ খেলার কথা। অবশ্য ইরাকের এখনও নিজেদের যোগ্যতাতেই বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ রয়েছে। ১৯৮৬ সালে শেষ বার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলেছিল ইরাক। এবারও তাঁরা বাছাই পর্বে খেলছে। সেখান থেকে সরাসরি সুযোগ পেলে ইরাক বিশ্বকাপে চলে যেতে পারবে। যদিও ইরাক যুদ্ধের জন্য নিজেদের বাছাই পর্বের ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে। এবার ইরাক যদি বাছাই পর্বের মাধ্যমে সুযোগ না পায়, তাহলে ইরানের বদলেও তারা বিশ্বকাপ খেলতে পারে। আবার ইরাক যদি বাছাই পর্বের মাধ্যমে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়, তাহলে ইরানের বিকল্প হিসাবে খেলতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.