রাজা দাস, বালুরঘাট: রাজ্যে ফের আক্রান্ত পুলিশ। এবার বিজেপি বিধায়কের গাড়ির চালকের হাতে আক্রান্ত দুই পুলিশকর্মী। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীকে মারধর করছিলেন। তাঁকে রুখতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন দুই পুলিশকর্মী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারী এলাকায়। বিপুল হাজরা নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিপুল হাজরা নামে ওই ব্যক্তি গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায়ের গাড়ির চালক। বংশীহারী থানা এলাকায় তাঁদের বাড়ি। মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ চলছিল। স্ত্রী কল্পনা হাজরাকে ব্যাপক মারধর করেন ওই ব্যক্তি। মহিলাকে উদ্ধার করে পরে স্থানীয়রা বংশীহারী রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেই কথা জেনে বিপুল হাজরাও ওই হাসপাতালে চড়াও হন। হাসপাতালের মধ্যেই স্ত্রীকে মারধর করার চেষ্টা হয়।
হাসপাতালে স্ত্রীর উপর হামলা চালাতে গেলে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাধা দেন। সেসময় ওই হাসপাতালেই ডিউটিতে থাকা এএসআই বিজয় তামাং এবং কনস্টেবল মাহিদুর মণ্ডল এসে তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, সেসময় বিপুল হামলা চালান ওই দুই পুলিশকর্মীর উপর। অভিযুক্তর হাতে থাকা কোনও একটি বস্তুর আঘাতে রক্তাক্ত হন তাঁরা। খবর পেয়েই বংশীহারী থানার পুলিশ বাহিনী পৌঁছে বিপুলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আহত দুই পুলিশ কর্মী হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন।
বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় জানান, তিনি বাইরে রয়েছেন। বিপুল আট বছর ধরে তাঁর গাড়ি চালান। স্ত্রী ও পুলিশের উপর আক্রমণ করে অন্যায় করেছেন। পুলিশ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করুক। ঘটনায় সরব জেলা ঘাসফুল শিবির। জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল জানান, বিজেপির হামলা রাজনীতির প্রভাব পরেছে অভিযুক্তর ওপর। তবে এখানে কোনও প্রভাবশালীকে না দেখে পুলিশকে আইনানুসারে ব্যবস্থা নিক।
সর্বশেষ খবর
-
‘কালো হিরে’র হ্যাটট্রিকে স্বমহিমায় ফরাসি বিপ্লব, নরওয়েকে গোলের মালা ফ্রান্সের
-
কন্ডোম-খাট-বালিশ, বিধাননগরে তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিস যেন হোটেল! দেখে হতবাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী
-
‘কী করে ওকে বলব…?’ ভূমিকম্পে মেয়ের প্রাণ বাঁচিয়ে মৃত স্ত্রী, ভেঙে পড়লেন ভেনেজুয়েলার ফুটবলার
-
‘মুসলমানদের নিয়ে স্যাটাভাঙা মার’! জনসভায় বেনজির হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের
-
সন্তানের কান্নায় অতিষ্ঠ, ধারালো অস্ত্রের কোপে ৬ মাসের শিশুকন্যাকে গলা কেটে খুন মা’র!