Pune Murder Case

পুণে হত্যা কাণ্ড: ‘মামলাটি যেন ফাইলবন্দি না থাকে’, মোদিকে আর্জি কেতনের মায়ের

প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারিতে সিয়া গোয়েলের সঙ্গে বাগদান সেরেছিলেন কেতন। আগামী নভেম্বরে তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু প্রাথমিকভাবে মত দিলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। সেকথা হবু স্বামীকে জানিয়েছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ২২:২০

options
link
পুণে হত্যা কাণ্ড: ‘মামলাটি যেন ফাইলবন্দি না থাকে’, মোদিকে আর্জি কেতনের মায়ের
সিয়া গোয়েলের সঙ্গে বাগদান সেরেছিলেন কেতন আগরওয়াল।

পুণে হত্যাকাণ্ডে নড়ে গিয়েছে গোটা। বিচারের দাবিতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ হলেন নিহত কেতন অগরওয়ালের মা রাখি অগরওয়াল। তাঁর আর্জি, এই মামলাটি যেন আর পাঁচটা মামলার মতো ফাইলবন্দি না হয়ে পড়ে থাকে। 

Advertisement

সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রীকে ইমেলে একটি চিঠি লেখেন রাখি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘বাকি পাঁচজনের মতো আমিও স্বপ্ন দেখতাম কেতন একটা সুন্দর জীবন গড়বে। তাঁর বিয়ে হবে। আমাদের সঙ্গে তাঁরও বয়স বাড়বে। বুড়ো হবে। কিন্তু তার বদলে আমাকে আমার সন্তানের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হল। একজন মায়ের কাছে এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কিছু নেই।’ তিনি আরও লেখেন, ‘কেতনের মৃত্যু আমাকে বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে। বাড়ির প্রতিটি কোণ আমাকে তাঁর কথা মনে করিয়ে দেয়। তাঁর ঘর, তাঁর পোশাক, তাঁর ছবি। কেমন যেন নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে। এটা মনে করে আমি গুমড়ে গুমড়ে কাঁদি যে কেতন আর কোনওদিন ফিরে আসবে না।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেতনের মৃত্যুর কয়েকদিনের মধ্যেই প্রয়াত হন তাঁর দাদুও। সেই কথাও তুলে ধরেন রাখি। বলেন, “নাতির মৃত্যুর পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওঁর দাদু। কিছুতেই এই ঘটনা মেনে নিতে পারছিলেন না। ২০ দিন পর তাঁরও মৃত্যু হয়। তিনি কেতনকে খুবই স্নেহ করতেন। কিন্তু মৃত্যু শোক সইতে পারেননি।” প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কেতনের মা বলেন, “আমি কোনও সহানুভূতি বা বিশেষ সুবিধা চাই না। শুধু এক মা ন্যায়বিচার চাইছেন। এই মামলা যেন আর পাঁচটা মামলার মতো ফাইলবন্দি না হয়ে থাকে। দোষীদের যেন কড়া শাস্তি হয়।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারিতে সিয়া গোয়েলের সঙ্গে বাগদান সেরেছিলেন কেতন। আগামী নভেম্বরে তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু প্রাথমিকভাবে মত দিলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। সেকথা হবু স্বামীকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সিয়ার দাবি, পরিবারের এতটাই চাপ ছিল যে বিয়ে বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তাই কেতনকে হত্যার পথ বেছে নেন। গত ১৮ জুন পুণের লোহাগড় দুর্গ থেকে পড়ে মৃত্যু হয় কেতনের। জানা গিয়েছে, প্রায় একমাস ধরে পরিকল্পনা করে তাঁকে হত্যা করেন সিয়া, অভিযোগ তেমনই। আর এই কাজে তাঁকে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক চেতনের বিরুদ্ধে। দু’জনকে গ্রেপ্তার করার পর থেকেই চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.