Siddhartha Shankar Ray

মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়সারণি: সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়

কর্মজীবনে সামলেছেন পঞ্জাবের রাজ্যপালের দায়িত্বভারও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবেও নিযুক্ত ছিলেন কিছুকাল। ১৯৭২ সালে কংগ্রেস বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করলে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হলেন। ৩০ এপ্রিল, ১৯৭৭ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বহাল থেকেছেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৭:০১

options
link
মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময়সারণি: সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়
সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়

রাষ্ট্রপতি শাসন শেষে ২০ মার্চ, ১৯৭২, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার, কূটনীতিবিদ ও জাতীয় কংগ্রেস দলের সদস্য সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়। জন্ম ২০ অক্টোবর। বাবা সুধীরকুমার রায় ছিলেন কলকাতা আদালতের প্রখ্যাত ব্যারিস্টার। মা অপর্ণা দেবী, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের জ্যেষ্ঠা কন্যা। নিজেও ব্যারিস্টার হিসেবে যথেষ্ট খ্যাতি লাভ করেন সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়।

Advertisement

কলেজ জীবন থেকেই খেলাধুলো ও রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ‘কালীঘাট ক্লাব’-এর হয়ে ফুটবল খেলেছেন। লন্ডনে থাকতে ক্রিকেট খেলায় অংশ নিয়েছেন ‘ইন্ডিয়ান জিমখানা ক্লাব’-এর হয়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

১৯৫৭ সালে বিপুল ভোটে জিতে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হলেন সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়। ড. বিধানচন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে যোগ দিলেন পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভায়। ‘আইন ও উপজাতি কল্যাণ মন্ত্রী’ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ড. বিধানচন্দ্র রায়ের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে মন্ত্রীত্ব ও দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেন।

১৯৫৭ সালে বিপুল ভোটে জিতে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হলেন সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়। ড. বিধানচন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে যোগ দিলেন পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভায়। ‘আইন ও উপজাতি কল্যাণ মন্ত্রী’ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ড. বিধানচন্দ্র রায়ের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে মন্ত্রীত্ব ও দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেন।

Advertisement

পরবর্তীকালে যদিও আবার দলে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে কংগ্রেস বিভক্ত হলে, তিনি ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস (আর)-এর পক্ষ নেন। ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ভার পেলেন ‘শিক্ষা ও যুব কল্যাণ বিভাগ’-এর। এছাড়াও দায়িত্বাধীন ছিলেন ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল অ্যান্ড বাংলাদেশ অ্যাফেয়ারস্’ বিভাগের।

কর্মজীবনে সামলেছেন পঞ্জাবের রাজ্যপালের দায়িত্বভারও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবেও নিযুক্ত ছিলেন কিছুকাল। ১৯৭২ সালে কংগ্রেস বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করলে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হলেন। ৩০ এপ্রিল, ১৯৭৭ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বহাল থেকেছেন তিনি।

১৯৭৭ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস হেরে গেলে, তাঁর শাসনকালেন অবসান হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.