ফের এসআইআর (SIR in West Bengal) জটে আটকে কংগ্রেস প্রার্থীর ভাগ্য। এখনও ট্রাইব্যুনালে ঝুলে রতুয়ার হাত শিবিরের প্রার্থী মহম্মদ মোত্তাকিনের। আজই প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন পেশের শেষ দিন। বিকেল ৩টের মধ্যে মনোনয়ন জমা করতে হবে প্রার্থীদের। কিন্তু নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় মনোনয়নের কয়েকঘণ্টা আগে সুপ্রিম কোর্টে ছুটলেন প্রার্থী। দ্রুত আবেদনের গুরুত্ব বুঝে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, দুপুর ১২টার মধ্যে মহম্মদ মোত্তাকিনের নামের ফয়সালা করতে হবে। ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ পেয়ে সল্টলেকে ট্রাইব্যুনালের দপ্তরে শুরু হয়েছে কাজ। যদি সময়ের মধ্যে মোত্তাকিনের নামের নিষ্পত্তি না হয়, তাহলে তাঁর বদলে অন্য প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেবেন বলে খবর মালদহ জেলা কংগ্রেস সূত্রে।
আরও পড়ুন:
প্রাক্তন বিধায়ক মহম্মদ মোত্তাকিন তিনি ইংরেজবাজারের বাসিন্দা। ২০১৬ সালে মানিকচক থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে লড়াই করলেও মানিকচক থেকে তৃণমূলের সাবিত্রী মিত্রর কাছে হেরে যান। ছাব্বিশের ভোটে তাঁকে অন্য আসন, রতুয়া থেকে প্রার্থী করে কংগ্রেস।
এসআইআরের (SIR in West Bengal) পর বিবেচনাধীনের তালিকায় ছিল রতুয়ার কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ মোত্তাকিনের। পরে জানা যায়, তাঁর নাম ‘ডিলিট’ হয়ে গিয়েছে। এদিকে কংগ্রেস রতুয়া থেকে প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বিধায়ক মোত্তাকিনকে। তিনি ইংরেজবাজারের বাসিন্দা। ২০১৬ সালে মানিকচক থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে লড়াই করলেও মানিকচক থেকে তৃণমূলের সাবিত্রী মিত্রর কাছে হেরে যান। ছাব্বিশের ভোটে তাঁকে অন্য আসন, রতুয়া থেকে প্রার্থী করে কংগ্রেস। ২৩ এপ্রিল, প্রথম দফা ভোটের আগে আজই মনোনয়নের শেষ দিন। অথচ ভোটার তালিকায় নাম না ওঠায় মনোনয়ন নিয়ে জট দেখা দেয়। সমাধান চেয়ে তড়িঘড়ি সুপ্রিম কোর্টে ছুটেছিলেন প্রার্থী। দাখিল করেন রিট পিটিশন। সোমবার সাড়ে ১০টা নাগাদ শীর্ষ আদালতে এজলাস শুরু হলে দ্রুত আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতিরা ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দেন, দুপুর ১২টার মধ্যে এর নিষ্পত্তি করে দিতে হবে।
যদি সত্যিই মহম্মদ মোত্তাকিনের নাম মুছে যায় তালিকা থেকে, যদি তিনি মনোনয়ন দিতে না পারেন, তাহলে বিকল্প প্রার্থী তৈরি। চাঁচলের প্রাক্তন বিধায়ক আল বিরুনি জুলকার নাইনকে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে তৈরি রাখা হয়েছে।
মালদহ জেলা কংগ্রেসের নেতা তথা আইনজীবী মাহিবর রহমান ফিটু জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দুপুর ১২টার মধ্যেই জট কেটে যাবে। যদি সত্যিই মহম্মদ মোত্তাকিনের নাম মুছে যায় তালিকা থেকে, যদি তিনি মনোনয়ন দিতে না পারেন, তাহলে বিকল্প প্রার্থী তৈরি। চাঁচলের প্রাক্তন বিধায়ক আল বিরুনি জুলকার নাইনকে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে তৈরি রাখা হয়েছে। তিনি শেষমেশ রতুয়ার কংগ্রেস প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন পেশ করবেন।
উল্লেখ্য, এর আগে রবিবার ট্রাইব্যুনালে প্রথম নিষ্পত্তি হয় ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী মাহাতাব শেখের। তাঁর নামও বিবেচনাধীন ছিল। সোমবার, মনোনয়নের শেষ দিনের ২৪ ঘণ্টা আগেই তাঁর নাম অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় তুলে দেওয়ার জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বস যদি হয় এআই! সব রামপ্রসাদই হাবুডুবু খাবে উপায় খুঁজতে গিয়ে
-
‘এত্ত তামাশা কেন?’, ডিভোর্স মামলা তুলতেই সুনীতাকে ‘সংসারের পাঠ’ গোবিন্দার ম্যানেজারের
-
বদলের বাংলায় মোদি-শুভেন্দু রাখিই এবার হটকেক! পদ্মের চাহিদাও তুঙ্গে
-
‘স্বাধীনতা সংগ্রামে তিতুমীরের চেয়ে শ্যামাপ্রসাদের অবদান বেশি’, বারাসতে বদলে গেল ভবনের নাম
-
শাসকের ইচ্ছাই শেষ কথা ছিল গত তিন দশকে! ১৯৯১-এর পর বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, চলছে ভোট