WB Assembly Election 2026

মঙ্গলেই বঙ্গে আরও ৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ফের বৈঠকে কমিশন

অন্যদিকে বিপুল এই বাহিনীকে কীভাবে কোথায় মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যে বৈঠক সেরেছে কমিশন। এমনকী আজ সোমবারও আরও একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে খবর।

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৬:০৩

options
link
মঙ্গলেই বঙ্গে আরও ৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ফের বৈঠকে কমিশন
রাজ্যে ২০ জুন পর্যন্ত থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী

রাজ্যে বেজে গিয়েছে ভোটের (WB Assembly Election 2026) বাদ্যি। এবার অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে বেনজির পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। ভোটের আগেই রাজ্যে আসছে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশন সূত্রে খবর, বাংলার নির্বাচনে এবার সব মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হবে। যার মধ্যে নজিরবিহীনভাবে চলতি মাসের শুরুতেই রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে আরও ৩০০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছে যাবে। এরপর ধাপে ধাপে বাকি আরও বাহিনী আসবে বলে খবর।

Advertisement

অন্যদিকে বিপুল এই বাহিনীকে কীভাবে কোথায় মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যে বৈঠক সেরেছে কমিশন। এমনকী আজ সোমবারও আরও একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে খবর। ডেপুটি কমিশনার মণীশ গর্গের নেতৃত্বে ওই বৈঠক হবে। জানা যাচ্ছে, বৈঠকটি ভার্চুয়াল মাধ্যমে করা হবে। যেখানে ডেপুটি কমিশনার মণীশ গর্গ ছাড়াও বনকুমার শর্মা, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল-সহ অন্য আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকবেন। এরপরেই ভোটের (WB Assembly Election 2026) নিরাপত্তা নিয়ে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারেটদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন আরও একটি বৈঠক করবে বলে খবর। বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে এই বৈঠক হবে বলে খবর।

Advertisement

আজ সোমবারও আরও একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে খবর। ডেপুটি কমিশনার মণীশ গর্গের নেতৃত্বে ওই বৈঠক হবে।

দু’দফায় অর্থাৎ আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোট হবে বাংলায়। আর দু’দফাতেই ভোট যাতে রক্তপাতহীন হয়, সেটা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কমিশন। জানা গিয়েছে, এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজের ক্ষেত্র শুধু ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। বুথ এলাকার অন্য প্রান্তেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকী ভোটকেন্দ্রের বাইরে ভোটারকে হুমকি, ভয় দেখানোর মতো অভিযোগ পেলে পুনর্নির্বাচন হতে পারে। ছাপ্পা, অশান্তি, বুথ দখলের মতো ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না বলে সাফ জানাচ্ছে কমিশন। এখানেই শেষ নয়, জানা গিয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তথাকথিত ‘ট্রাবল মঙ্গার’দের ডেরা শনাক্ত করে সেই অনুযায়ী রুট মার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কলকাতার রুট ম্যাপ তৈরি করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের হাতে ইতিমধ্যেই তুলে দিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.