West Bengal Assembly Election

আবগারি থেকে নার্কোটিক্স! ভোটের মুখে একাধিক সংস্থাকে ‘ধমক’ নির্বাচন কমিশনের

ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রবিবার রাতে শহরে এসেছে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুলবেঞ্চ।

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৭:২৭

options
link
আবগারি থেকে নার্কোটিক্স! ভোটের মুখে একাধিক সংস্থাকে ‘ধমক’ নির্বাচন কমিশনের
শহরের হোটেলে কমিশনের ফুলবেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক আধিকারিকদের।

নির্বাচন কমিশনের তীব্র ভর্ৎসনা মুখে পড়ল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ, আবগারি, মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থাও (নার্কোটিক্স)। ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রবিবার রাতে শহরে এসেছে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুলবেঞ্চ। সোমবার সকালেই সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এরপরেই সমস্ত কেন্দ্র এবং রাজ্যের এজেন্সিগুলির সঙ্গে বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, বিমানবন্দর, আবগারি এবং নার্কোটিক্সের দায়িত্বের থাকা আধিকারিকদের কমিশন রীতিমতো ‘ধমক’ দেয় বলেই খবর।

Advertisement

সূত্রের খবর, মদের উৎপাদন যাতে কখনই স্বাভাবিকের থেকে বেশি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে বলে এদিন আবগারি দপ্তরকে স্পষ্ট নির্দেশ দেয় কমিশন। এজন্য উৎপাদক সংস্থাগুলির সঙ্গেও কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এখন থেকেই সীমান্ত এলাকাগুলিতে মদের কারবার যাতে নিয়ন্ত্রণ করা হয় সেই নির্দেশও এদিন কমিশন দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, বৈঠকে উপস্থিত আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের উদ্দেশে নাকি কমিশন বলে, বাড়তি লাভের জন্য আপনারা কিছুই করেন না। সবটাই জানি আমরা। 

Advertisement

অন্যদিকে এদিন বৈঠকে কেন এখনও নারকোটিক অ্যাডভাইজারি বোর্ড গঠন করা হয়নি তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ। এই বিষয়ে রাজ্যের এক আধিকারিক ব্যাখ্যা দিলেও তা কমিশনকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি বলেই খবর। এমনকী অন্য রাজ্যে তা গঠন হয়ে গেলেও কেন বাংলায় হয়নি তা নিয়েও বৈঠকে কমিশন প্রশ্ন তোলে বলে সূত্রের খবর।

Advertisement

অন্যদিকে এদিন বৈঠকে কমিশনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষকেও। দিনের পর দিন বেআইনি জিনিস বিমানবন্দর থেকে লেনদেন হচ্ছে কিন্তু কোনও রিপোর্ট করা হচ্ছে না। তা নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে কমিশন তীব্র ভর্ৎসনা করে বলে খবর। শুধু তাই নয়, অবিলম্বে এই সংক্রান্ত কাজ শুরু করতে হবে এবং তালিকা জমা দিতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেআইনি অর্থ উদ্ধারে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভূমিকাও নিয়েও এদিনের বৈঠকে সরব হয় কমিশন। অর্থাৎ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কেন্দ্র কিংবা রাজ্যের কোনও সংস্থার গাফিলতি যে রেয়াত করা হবে না তা এদিনের বৈঠকে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলা আধিকারিক বলেন, “কমিশন বলেছে, ইচ্ছাকৃত গরমিল বা গাফিলতির কারণে এমন জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে, যেখান থেকে ফেরার সুযোগ থাকবে না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.