ছাব্বিশের ভোটে (Bengal Election 2026) শহর ও শহর লাগোয়া জেলায় কাস্তে-হাতুড়ি-তারা প্রতীকের প্রার্থীরা সিংহভাগ নবপ্রজন্মের। পক্ককেশ কমরেডকুল এবার সরাসরি ভোটের লড়াই থেকে কিছুটা পিছিয়ে এগিয়ে দিয়েছে তরুণ তুর্কিদের। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দীপ্সিতা ধর, কলতান দাশগুপ্তদের মতো ছাত্র থেকে যুব সংগঠনের সদস্য হিসেবে উত্তীর্ণ হওয়া প্রার্থীদের পাশাপাশি বিধানসভার লড়াইয়ে রয়েছেন একেবারে নতুন মুখ, যাদবপুরের গবেষক-ছাত্রী আফরিন বেগম শিল্পী (Afreen Begum)। তিনি এবার কলকাতার অন্যতম অভিজাত কেন্দ্র বালিগঞ্জের সিপিএম প্রার্থী। এলাকায় ঘুরে ঘুরে নিজের পরিচয় দিয়ে সবিনয়ে ভোট চাইছেন। পাশাপাশি দারুণভাবে চলছে তাঁর ডিজিটাল প্রচার। আর তাতেই নবতম সংযোজন বালিগঞ্জবাসীর উদ্দেশে শিল্পীর লেখা খোলা চিঠি। ‘দিন বদলের চিঠি’তে তিনি জানিয়েছেন তাঁর স্বপ্নের কথা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। সেসব পরিকল্পনা খুব একটা চিরাচরিত নয়।
আরও পড়ুন:
‘দিন বদলের চিঠি’র শুরুতে শিল্পী বালিগঞ্জের মেয়ে হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়েছেন। লিখেছেন, তাঁর ছোট থেকে বড় – সবটাই এ শহরে হলেও ইদানীং তাকে ভাবায়, কর্মসংস্থানের জন্য প্রিয় শহরটা ছেড়ে চলে যেতে হবে না তো? ভাবায় নারী নিগ্রহের ঘটনাগুলিও। এই সময় বদলে দিতে চান তিনি। তাই বালিগঞ্জ থেকে ভোটে জিতে বিধানসভায় পা রাখতে সফল হলে কী কী পরিবর্তন করবেন, তার এক সুদীর্ঘ পরিকল্পনা করে ফেলেছেন বালিগঞ্জের তরুণ সিপিএম প্রার্থী।
বিকল্প বামপন্থার আদর্শ মেনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বসতি উন্নয়ন, নাগরিক সুরক্ষায় জোর দিয়েছেন শিল্পী। খোলা চিঠিতে ৬ দফা পরিকল্পনায় লিখেছেন, শহরের বয়স্ক ও মহিলাদের যে কোনও প্রয়োজনে র্যাপিড অ্যাকশন টিম গড়তে চান। তবে শেষের বিষয়টিই সবচেয়ে চমকপ্রদ। শিল্পী চান এ শহরের পরিবেশ বিশুদ্ধ করতে। তাই তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে ‘পরিবেশ বাঁচাও স্কোয়াড।’ এখানেই বোধহয় অন্য সব প্রার্থীর চেয়ে পৃথক হয়ে যান আফরিন বেগম শিল্পী। ভোটে জিতলে শুধুই নগরোন্নয়ন, শুধুই মানুষের কাজ নয়, তা বুঝিয়ে দিলেন যাদবপুরের গবেষক ছাত্রী।

বিকল্প বামপন্থার আদর্শ মেনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বসতি উন্নয়ন, নাগরিক সুরক্ষায় জোর দিয়েছেন শিল্পী। খোলা চিঠিতে ৬ দফা পরিকল্পনায় লিখেছেন, শহরের বয়স্ক ও মহিলাদের যে কোনও প্রয়োজনে র্যাপিড অ্যাকশন টিম গড়তে চান। তবে শেষের বিষয়টিই সবচেয়ে চমকপ্রদ। শিল্পী চান এ শহরের পরিবেশ বিশুদ্ধ করতে। তাই তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে ‘পরিবেশ বাঁচাও স্কোয়াড।’ এখানেই বোধহয় অন্য সব প্রার্থীর চেয়ে পৃথক হয়ে যান আফরিন বেগম শিল্পী। ভোটে জিতলে শুধুই নগরোন্নয়ন, শুধুই মানুষের কাজ নয়, তা বুঝিয়ে দিলেন যাদবপুরের গবেষক ছাত্রী।
তবে শিল্পী যে আলাদা, লড়াই করে সমাজবদলের চিন্তায় যে তাঁর রক্ত টগবগ করছে, তা বোঝা গিয়েছিল নির্বাচন কমিশনে যাওয়া সিপিএমের প্রতিনিধিদলে তাঁকে দেখে। মহম্মদ সেলিম, শমীক লাহিড়ির মতো বর্ষীয়ান সিপিএম নেতার সঙ্গে তরুণ ছাত্রনেত্রী কমিশনের দপ্তরে গিয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করেছিলেন, এসআইআরে বৈধ নাগরিকদের নামের নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই কেন ভোট ঘোষণা? কেন ভোটার জানতে পারবেন না তাঁর নাম বাদ কেন পড়ল? আপাত শান্ত, স্থিতধী শিল্পী প্রয়োজনে যে কড়া হতে পারেন, তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। এ মেয়েকে দেখে অনেকেই চমকে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, আগামী ২৯ তারিখ বালিগঞ্জবাসী কি তাঁকে দিন বদলের পথে এগিয়ে যাওয়ার আশীর্বাদ দেবেন? তা বোঝা যাবে ৪ মে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সেদ্ধ করতে গিয়ে চিড় ধরছে ডিমের খোলায়, সমাধান করবে একটিমাত্র পাতিলেবু!
-
অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না! সাধারণ সংক্রমণও কেন হয়ে উঠছে ভয়ংকর?
-
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পচছে ফ্রিজারে রাখা মাংস-সবজি, এইভাবে ১ টাকার কয়েন রাখলেই কেল্লাফতে!
-
কেতুগ্রামে তৃণমূলের কার্যালয়ে রাজকীয় ঘর, রয়েছে খাট-বিছানা! উদ্ধার বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণ
-
বাতাসে এখনও মৃত্যুর গন্ধ! ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা পেরোল ১৭০০